দিলীপ ঘোষ কি তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন? বিজেপি নেতা এবার নিজেই দিয়ে দিলেন জবাব

কলকাতা- দিলীপ ঘোষ গিয়েছিলেন দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে। একেবারে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের পাশে বসে হেসে হেসে গল্পও করেন। এরপরই চটে লাল বিজেপির অনেকেই। ইতিমধ্য়েই অনেকে বলতে শুরু করেছেন তাঁর সঙ্গে নাকি আগে থেকেই তৃণমূলের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। তবে দিলীপ ঘোষও এনিয়ে ছাড়ার মানুষ নন। আক্রমণের জবাব দিচ্ছেন তিনি।

এবার সোশ্য়াল মিডিয়ায় তিনি তাঁর বক্তব্য জানিয়েছেন। নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।

দিলীপ বলেছেন, ‘আমাকে নিয়ে বিতর্ক হয়ই। আর অনেকেই আমাকে নিয়ে বিতর্ক করে টিএমসি হওয়ার চেষ্টা করেন। সিপিএম হওয়ার চেষ্টা করেন। যাদের কোনওদিন ছবি দেখা যায় না তাদের দেখা যায়। আমি দেখা করেছি। রাজ্য সরকারের মুখ্যসচিব আমায় আমন্ত্রণ করেছিলেন। আমি সপরিবারে গিয়েছি। তার পর মমতা ব্যানার্জি আমায় ডেকে পাঠিয়েছিলেন গেস্ট হাউসে। আমি সৌজন্য রক্ষা করতে গিয়েছি। আমি সপরিবারে গিয়েছি। কথা বলেছি। মিষ্টি খেয়ে চলে এসেছি। আর অনেকের পেট ব্যথা হচ্ছে। কাদের পেট ব্যাথা হচ্ছে, যারা মমতা ব্যানার্জির কোলে খেলাধুলা করে বড় হয়েছেন, আঁচলের তলায় বসেছেন। তার হাতে দুধ খেয়ে বড় হয়েছেন। তার পার্টি যেখানে কয়লা গরু বালি থেকে টাকা নেয়, সেখান থেকে ভাগ নিয়েছেন। শেষ দিন পর্যন্ত তার সঙ্গে থেকে দেখলেন সুবিধা হচ্ছে না চলে এলেন।বেশিরভাগই হঠাৎ বিজেপি। ২১শের বিজেপি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন একটা ছাপ দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে দিলীপ ঘোষ টিএমসিতে যাবে। মমতা ব্যানার্জিও জানেন দিলীপ ঘোষ টিএমসিতে যাবেন না। যারা বলছেন তারাও জানেন দিলীপ ঘোষ টিএমসিতে যাবেন না। অর্জুন সিং ফিরে গিয়ে আবার চলে এসেছে। একরাত কাটায় টিএমসির বাড়িতে, একরাত কাটায় বিজেপির বাড়িতে। তারা দিলীপ ঘোষের ক্যারেকটার সার্টিফিকেট দিচ্ছেন। আমার সময়ে যতজন বিধায়ক ছিলেন জিজ্ঞাসা করুন তো দিলীপ ঘোষ একবার না একবার কথা বলেছেন। কোন পার্টি জানতাম না। অর্জুন সিংয়ের সঙ্গেও কথা হয়েছে। কিন্তু ক্যামেরা দেখলে পালিয়ে যেত। দিলীপ ঘোষের সঙ্গে ছবি দেখলে ওর চাকরি চলে যাবে। সতী সেজো না। ..ওখানে গিয়েছি ঠিক করেছি। যারা টিএমসিতে থাকার সময় আমাকে কালো পতাকা দেখাত। …তারা কতদিন বিজেপিতে সেটাও ঠিক নেই…একটা অভিযান চালানো হচ্ছে। যারা আমায় বিরুদ্ধে থেকে কিছু করতে পারেনি তারা আমার পার্টিতে এসে আমার বিরুদ্ধে কী করবে!’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *