মানুষের পাশে আজও দাঁড়ায় মানুষ! সকলের সহায়তায় ছোট্ট অশ্মিকা পেল ৯ কোটি টাকার ইঞ্জেকশন

কলকাতা- নদীয়া জেলার রাণাঘাটের একরত্তি মেয়ে অশ্মিকা দাস। বয়স ১ বছর ৪ মাস। ৭ মাস আগে ধরা পড়ে ছোট্ট অশ্মিকার শরীরে বাসা বেঁধেছে মেরুদণ্ডের বিরল অসুখ— স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রফি টাইপ ওয়ান! যা হতে পারে প্রতি ১০ হাজারে ১ জন শিশুর। অসুখ সারাতে দরকার পড়ে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল জিন থেরাপি যার নাম জোলজেন্‌সমা! ভারতীয় মুদ্রায় এই চিকিত্সার খরচ প্রায় ১৬ কোটি টাকা!

আশা না হারিয়ে অশ্মিকার বাবা শুভঙ্কর দাস মেয়ের চিকিত্‍সার জন্য যোগাযোগ করেন পিয়ারলেস হাসপাতালের সঙ্গে। শুরু হয় ক্রাউড ফান্ডিং! ৭ মাসে উঠে আসে ৯ কোটিরও বেশি অর্থ! এর পর আবেদনের ভিত্তিতে ওষুধ পৌঁছে যায় অশ্মিকার কাছে। সম্পূর্ণ ক্রাউড ফান্ডিংয়ের মাধ্যমে পূর্ব ভারতের প্রথম শিশু হিসেবে ১৬ কোটি টাকার জিন থেরাপি পেল অশ্মিকা দাস। সম্পূর্ণভাবে সাধারণ মানুষের অনুদানের সংগৃহীত অর্থে তার চিকিৎসার অর্থ উঠে এল। ৭ মাসে দেশ-বিদেশের প্রায় ৬৫ হাজার মানুষের সহযোগিতায় সংগ্রহ করা হয়েছে ৯ কোটিরও বেশি টাকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *