কলকাতা- পুজোর আগে কেন্দ্রের বড় উপহার। সম্প্রতি কলকাতায় আয়োজিত হয়েছিল নেক্সট জেন জিএসটি শীর্ষক আলোচনাসভা। সেখানে অর্থমন্ত্রী বলেন, নয়া প্রজন্ম উইডো শপিংয়েই বেশি অভ্যস্ত। কিন্তু তার পাশাপাশি এবার মন খুলে শপিং করার জন্য জিএসটির নতুন হার ধার্য করলেন প্রধানমন্ত্রী। নয়া প্রজন্ম এবার মন খুলে কেনাকাটা করতে পারবে পুজোর জন্য।
বৃহস্পতিবার কলকাতার জাতীয় গ্রন্থাগার ভাষা ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, মোদীর ইচ্ছে ছিল দ্রুত নতুন জিএসটি ব্যবস্থা শুরু করে দেওয়া। কিন্তু পিতৃপক্ষের কারণে তা পিছিয়ে দেওয়া হয়। মহালয়ার পর দিন অর্থাৎ ২২ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন জিএসটি হার ধার্য করার কথা ঘোষণা করা হয়। শারদীয় দুর্গোৎসব বা নবরাত্রির সময় নয়া প্রজন্ম যাতে অনন্দে কেনাকাটা করতে পারেন, তার জন্যই এই ব্যবস্থা বলে জানান অর্থমন্ত্রী।
এই দিন বাংলার একাধিক শিল্পের উন্নতি নিয়েও কথা বলতে শোনা যায় তাঁকে। তাঁর কথায়, জিএসটির নতুন হারের ফলে শান্তিনিকেতনের কুটিরশিল্প, বাঁকুড়ার টেরাকোটা শিল্প, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর ও পুরুলিয়ার মাদুর ও ছৌ মুখোশ তৈরির শিল্প উপকৃত হবে।
এছাড়াও নদীয়ার তাঁত শিল্প, বর্ধমানের শোলার শিল্প তো আছেই। সবেতেই কর ছাড় পাবেন শিল্পী তথা কারিগররা। এছাড়াও মালদা-মুর্শিদাবাদের আম, নকশি কাঁথার শিল্প দার্জিলিঙের চা শিল্পের কথা উল্লেখ করতেও ভোলেননি তিনি।
