কলকাতা- অবশেষে নির্বাচন হচ্ছে বাংলাদেশে!
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটও হবে ওই একই দিনে।
ওই দিন সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটে পর্যন্ত টানা ভোট গ্রহণ চলবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে এই দিন ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসিরউদ্দিন।
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ১৬ মাসের মাথায় ভোট ঘোষণা করে দিল বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন।
প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ২৯ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি করা হবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি। প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের সময়সীমা ২০ জানুয়ারি।
চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ করা হবে ২১ জানুয়ারি। ২২ জানুয়ারি থেকে প্রচার শুরু হবে। শেষ হবে ১০ ফেব্রুয়ারি। ১২ ফেব্রুয়ারি ৩০০ আসনে ভোট নেওয়া হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে ১২ কোটি ৭৬ লক্ষের বেশি ভোটার রয়েছেন।
উল্লেখ্য ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট দেশব্যাপী গণবিক্ষোভের জেরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন। তারপর থেকে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই ছিল বাংলাদেশ। এরই মধ্যে পদ্মাপারের দেশটিতে বহু উত্থান পতন ঘটে গিয়েছে। একসময়ের দাপুটে আওয়ামি লীগকে কোনঠাসা করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তদন্ত করে ফাঁসির সাজা পর্যন্ত ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের আদালত। যদিও সেই বিচারপ্রক্রিয়া ও রায় নিয়ে একাধিক প্রশ্ন রয়েছে। দেশজুড়ে সংখ্যালঘুদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। অত্যাচারের শিকার হয়েছেন আওয়ামি লিগের কর্মী সমর্থকরা। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানিয়েছিল বিএনপি সহ বেশ কয়েকটি বিরোধী দল। শেষ পর্যন্ত এদিন নির্বাচনের দিন ঘোষণা করে দিল বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন।
