কলকাতা- রাজ্য সরকারের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাক (I-PAC)-এর সল্টলেক সেক্টর ফাইভের দপ্তর এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি-র (ED Raid) হানা।
খবর পেয়েই প্রতীকের বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা। সেখানে থেকে ফাইল হাতে বাইরে বেরিয়েই বিস্ফোরক অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর।
কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শা’কেও।এদিন প্রতীকের বাড়িতে ঢোকার কিছুক্ষণের মধ্যেই ফাইল হাতে বেরিয়ে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। বাইরে এসেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তাঁর অভিযোগ, দলের গোপন তথ্য হাতাতেই ইডির অভিযানের নির্দেশ দিয়েছেন অমিত শা।
তিনি বলেন, ‘এই অভিযান দুর্ভাগ্যজনক। ইডির আধিকারিকরা আমার দলের সমস্ত নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করছিল! আমি সেগুলো নিয়ে এসেছি।’ এরপরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাকে তোপ দেগে মমতা বলেন, ‘আমার দলের সমস্ত প্রার্থীর তালিকা, পার্টির প্ল্যান, স্ট্র্যাটেজি সংগ্রহ করতে ইডিকে পাঠিয়েছিল ন্যাস্টি হোম মিনিস্টার। নটি হোম মিনিস্টার। আমি প্রতীককে ফোন করেছিলাম। ও আমার দলের ইনচার্জ। হার্ড ডিস্ক, ফোন সব নিয়ে নেওয়া হচ্ছিল।’
এখানেই থামেননি মমতা। এরপরই তিনি বলেন, ‘এসআইআরের নামে রাজ্যের কোটি কোটি ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। অমিত শা দেশকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। খালি ষড়যন্ত্র করছে্ন।’ এরপরই সল্টলেকে আইপ্যাকের দপ্তরে চলে যান মুখ্যমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, কয়লা পাচার সংক্রান্ত দিল্লিতে নথিভুক্ত একটি পুরোনো মামলার তদন্তে বেশ কিছু আর্থিক লেনদেনের সূত্রে আইপ্যাকের নাম উঠে এসেছে। সেই সূত্রেই এই তল্লাশি। এই অভিযানের খবর চাউর হতেই রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। নবান্ন থেকে শুরু করে শাসক দল তৃণমূলের অন্দরেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
