কলকাতা- হাওড়া স্টেশনের বড় ঘড়ি। নাম শোনেননি, বা চোখে দেখেননি, এমন লোক খুঁজে পাওয়া মুশকিল।
হাওড়া স্টেশন দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। সদাব্যস্ত স্টেশন। ভিড়ে ঠাঁসা স্টেশনে বন্ধু-পরিচিতদের সঙ্গে দেখা করার জন্য রীতিমতো ‘মিটিং পয়েন্ট’ হিসেবে যুগের পর যুগ কাজ করেছে সাদা-কালো এই ঘড়ি।
অনেকেই জানেন না, চুপিসাড়ে সেই বড় ঘড়ি পৌছে গেছে সেঞ্চুরিতে। ১০০ বছরে পা দিল হাওড়া স্টেশনের বড় ঘড়ি।
হাওড়া স্টেশনের ওল্ড কমপ্লেক্সে কালো কাঠের ভারী ফ্রেমে প্রথমবার দু-মুখো বড় ঘড়িকে লাগানো হয়েছিল ১৯২৬ সালে। লন্ডনের জেন্টস কোম্পানির তৈরি সেই ঘড়িটিকে স্টেশনে লাগিয়েছিলেন কলকাতার বিখ্যাত ঘড়ি ব্যবসায়ী দেবপ্রসাদ রায়।
স্টেশনের ভিতরে বড় ঘড়ির একটি মুখ তাক করা রয়েছে ১-৮ নম্বর প্ল্যাটফর্মের দিকে। অন্য মুখটি ৯-১৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মের দিকে ফেরানো। বড় ঘড়ির ডায়ালের দৈর্ঘ্য ৪ ফুট। ঘণ্টার কাঁটাটির দৈর্ঘ্য ১৮ ইঞ্চি, মিনিটের কাঁটাটি ২৪ ইঞ্চি দীর্ঘ।
হাওড়া স্টেশনে আরও একটি একই রকম সাদা কালো ঘড়ি রয়েছে, সেটিও দু-মুখো। প্রতিষ্ঠাতা সেই লন্ডনের জেন্টস কোম্পানি।
