ভারতের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের ম্যাচ বয়কট! পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য কী কী শাস্তি অপেক্ষা করছে, দেখে নিন

কলকাতা- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে না পাকিস্তান। সাফ জানিয়ে দিয়েছে তারা। ফলে এবার সরাসরি সংঘাতে নামল আইসিসি।

পাকিস্তান সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ‘বিশ্ব ক্রিকেটের স্বার্থের পরিপন্থী’ বলে অভিহিত করে কার্যত কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা।

আইসিসি স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আশা রাখছে, কারণ এটি বিশ্ব ক্রিকেটের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।

আইসিসি তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রতিটি দেশের সরকারি নীতিকে তারা সম্মান করে। কিন্তু ভারত-পাক ম্যাচ বয়কটের এই সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই ক্রিকেটপ্রেমীদের ভালোর কথা ভেবে নেওয়া হয়নি।

আইসিসি-র মতে, পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্তে তাদের নিজস্ব সমর্থকেরাও বঞ্চিত হবেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “পিসিবি-র বোঝা উচিত তাদের এই সিদ্ধান্তের সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে। পাকিস্তান নিজেই বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এবং এর সুবিধাভোগী, তাই এই সিদ্ধান্ত বাস্তুতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।”

বিবৃতিতে সাফ জানানো হয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সফলভাবে আয়োজন করা যেমন আইসিসি-র অগ্রাধিকার, ঠিক তেমনি পিসিবি-সহ প্রতিটি সদস্য দেশেরও এটি বড় দায়িত্ব।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (PCB) মোট বাজেটের ৫০ শতাংশেরও বেশি আসে আইসিসি-র রেভিনিউ শেয়ার থেকে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচই আইসিসির আয়ের প্রধান ইভেন্ট। যদি পাকিস্তান এই ম্যাচ বয়কট করে আইসিসি তাদের বার্ষিক ফান্ড বন্ধ করে দিতে পারে। ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে তাদের কাছে এত আয়ের উৎস নেই।

আইসিসি-র সংবিধান অনুযায়ী, কোনও সদস্য দেশ বড় টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে না। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ‘কন্ডাক্ট ব্রিচ’-এর মামলা চালিয়ে তাদের পূর্ণ সদস্যপদ বাতিল বা স্থগিত করা হতে পারে। এর অর্থ—ভবিষ্যতে পাকিস্তান কোনো দেশের সঙ্গেই সরকারিভাবে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে পারবে না।

০২৬ বিশ্বকাপে যদি পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে না খেলে তা হলে আইসিসি ভবিষ্যতে তাদের কোনও বড় টুর্নামেন্ট আয়োজনের অযোগ্য ঘোষণা করতে পারে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *