কলকাতা- দিল্লির চাণক্যপুরীর নিউ বঙ্গভবন যেন প্রতিবাদের মঞ্চ! এসআইআর-এ ক্ষতিগ্রস্তদের নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে হাজির মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মমতা জানান, তিনি কমিশনকে ৬ চিঠি লিখেছেন। জবাব পাননি। সুপ্রিম কোর্টের কথাও মানছে না কমিশন। কোনও পথ খোলা ছিল না।
মমতা বলেন, ‘আমি বিচারব্যবস্থাকে সম্মান করি। মামলা বিচারাধীন। কিছু বলতে চাই না। তবুও বলছি, শেষ এসআইআর হয়েছে ২০০২ সালে, এর পর দুই দশক কেটেছে। এবার নির্বাচন। তাই এসআইআর। কোনও পরিকল্পনা নেই। পরিকাঠামো নেই। ৪টি রাজ্যে ভোট। শুধু বিরোধী রাজ্যে এসআইআর। অসমে হচ্ছে না।’
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, এসআইআর সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের যে সুনির্দিষ্ট নির্দেশিকা ছিল, তা এখানে পুরোপুরি উপেক্ষা করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, নিয়ম অনুযায়ী যে ধরণের স্বচ্ছতা এবং পদ্ধতির কথা বলা হয়েছিল, তা মানা হয়নি। উল্টে রাজ্যে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ছাড়াই তড়িঘড়ি করে এই প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে, যার ফল ভুগতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই প্রক্রিয়ার জেরে প্রাথমিকভাবে প্রায় ৫৮ লক্ষ মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত। বিজেপি সীমা খান্নাকে বসিয়েছে। এআই ব্যবহার করে নাম বাদ দিচ্ছে। ইআরও-র সই নেয়নি। এটা বেআইনি।
