কলকাতা- ছাব্বিশের ভোটের দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা হয়নি। কিন্তু ভোটের আগে থেকেই পারদ চড়তে শুরু করেছে বিভিন্ন জেলায়।
বুধবার ভোরে উত্তর হাওড়ায় ঘটে গেল এক ভয়ঙ্কর ঘটনা। রাস্তায় এক প্রোমোটারকে গুলি করে খুনের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে পিলখানায়। ভোটের আবহে এই ঘটনায় ঝড় উঠেছে রাজ্য রাজনীতিতে।
অভিযোগ, ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হারুন খানের সঙ্গে নাকি রয়েছে তৃণমূলের যোগ। আর এই নিয়ে শোরগোল পড়তেই মুখ খুললেন উত্তর হাওড়ার বিধায়ক গৌতম চৌধুরী।
পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, বুধবার, ভোর ৪টে ১০ নাগাদ হাওড়ার গোলাবাড়ির পিলখানায় ২৭ বছরের বাসিন্দা প্রোমোটার শফিক খানকে ২ আততায়ী পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে ৪ রাউন্ড গুলি করে।
ইতিমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে সেই সিসিটিভি ফুটেজ, আর সেখানেই অভিযুক্তদের শনাক্ত করেছে প্রত্যক্ষদর্শীরা। হারুন খান ও রোহিত নামে আর একজন এই খুন করে বলে অভিযোগ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, হারুনের সঙ্গে তৃণমূলের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে, শুধু তাই নয় তাঁর বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন দুষ্কর্মের অভিযোগ উঠেছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, উত্তর হাওড়ার তৃণমূল বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর বিভিন্ন প্রচারের তাঁর সঙ্গেই ছিলেন হারুন খান। একই অভিযোগ তুলছে বিজেপিও।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যখন উত্তেজনার পারদ চড়ছে উত্তর হাওড়ায়, তখন মুখ খুলেছেন বিধায়ক গৌতম চৌধুরী। হারুনকে চিনলেও ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।
উত্তর হাওড়ার তৃণমূল বিধায়ক বলেন, ‘আমরা জনপ্রতিনিধি। আমাদের সামাজিক কাজ করতে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়। কিন্তু দায়িত্ব নিয়ে বলছি, এ মাটি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাটি। বাম আমল কাটিয়ে ২০১১ সালে এখানে শান্তি ফিরে এসেছে। যারা ক্রিমিনাল, যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তারা জেলে যাবে। সময়ের অপেক্ষায় রয়েছি আমরা। আমি এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি।’
এই খুনের ঘটনায় শাসকদলকেই টার্গেট করল গেরুয়া শিবির। বিজেপি মুখপাত্র জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘এখন পশ্চিমবঙ্গে যা কিছু অপকর্ম, তার সঙ্গে তৃণমূল যুক্ত। আপনারা হারুন শেখের কথা বলছেন, একটু তদন্তে করে দেখবেন, এর পিছনে পুলিশেরও মদত আছে।
