তৃণমূলত্যাগ আরাবুলের, আইএসএফ-এ যাচ্ছেন ভাঙড়ের ‘তাজা নেতা’! ভোটের আগে বাংলার রাজনীতিতে নয়া সমীকরণ

কলকাতা- ভাঙড়ের ‘তাজা নেতা’ আরাবুল ইসলাম তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়লেন। আরাবুল আবার আইএসএফ-এ যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করলেন!

ভোটের মুখে ভাঙড়ে রাজনৈতিক সমীকরণে নয়া অঙ্ক দেখা যেতে পারে। এদিকে মুখে আরাবুল দলত্যাগের কথা বললেও আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর ইস্তফার বিষয়ে দলের তরফ থেকে কিছু বলা হয়নি।

তৃণমূল ছাড়া নিয়ে আরাবুল ইসলাম বলেন, ‘আরাবুল ইসলামকে তারা বুঝল না। পাঁচ বার কেস খেয়েছি, তিনবার বহিষ্কার হয়েছি। সেই কারণে মনের দুঃখে আজ তৃণমূল থেকে ইস্তফা দিচ্ছি।’

উল্লেখ্য, এই আরাবুলকেই একটা সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘তাজা নেতা’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। যদিও গত কয়েকবছর ধরেই দলের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে আরাবুলের। দল থেকে সাসপেন্ড হয়েছিলেন। জেল খেটেছেন।

আরাবুল আইএসএফে গেলে তা তৃণমূলের জন্য কতটা চ্যালেঞ্জের হবে, তা নিয়ে অঙ্ক কষা শুরু হয়ে যাবে সব পক্ষেরই। এমনিতে বিগত কয়েক বছর ধরে ভাঙড় উত্তপ্ত থেকেছে আরাবুল বনাম শওকত দ্বন্দ্বে। সঙ্গে তৃণমূল বনাম আইএসএফের সংঘাতও হিংসাত্মক আকার নিয়েছে।

আইএসএফে যোগ দেওয়ার বিষয়ে আরাবুল বলেন, ‘পরিস্থিতি আসুক বলব। তবে একটা কথা বলতে পারি, দু-একদিনের মধ্যে যা হওয়ার হবে।’

তাঁর এহেন মন্তব্যে মনে করা হচ্ছে তিনি আইএসএফে যোগ দিতে চান। এদিকে আইএসএফ নেতা তথা ভাঙড়ের বিদায়ী বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি জানান, আরাবুল এখনও তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। এরই সঙ্গে নওশাদ দাবি করেন, আরাবুলকে ‘ব্যবহার করে ফেলে দিয়েছে’ তৃণমূল কংগ্রেস।

নওশাদ বলেন, ‘শাহজাহানের নাম এখন তৃণমূল আর নেয়? ওদের দলে এরকম অনেক রয়েছে। যাদের ব্যবহারের পর ফেলে দেওয়া হয়। তবে উনি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। কিন্তু যাঁরা জেলা স্তরের নেতৃত্ব রয়েছে, তাঁদের সঙ্গে কথা বলেছেন। আইএসএফ-এ যোগদানের ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *