কলকাতা- মাতা বৈষ্ণোদেবীর পথে ধস নেমে কমপক্ষে পাঁচজনের মৃত্যু হল। সবমিলিয়ে লাগাতার বৃষ্টির জেরে জম্মু ও কাশ্মীরে কমপক্ষে নয়জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি এমনই হয়েছে যে আখনুর-সহ একাধিক জায়গায় ফুঁসছে নদী। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক সেতু। সেরকম অবস্থায় ইতিমধ্যে ১৮টি ট্রেন বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে একাধিক ট্রেনের যাত্রাপথ।
মাতা বৈষ্ণোদেবী যাত্রা স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, মাতা বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে যাওয়ার দুটি রুট আছে। সকাল থেকেই হিমকোটি ট্রেক রুট বন্ধ করে দেওয়া হয়। দুপুর ১ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পুরনো রুটে ট্রেকিং চলছিল। কিন্তু লাগাতার বৃষ্টির জেরে সেই রুটও বন্ধ করে দেওয়া হয়। এক পুণ্যার্থী জানিয়েছেন, দর্শনের পরে নীচে নামছিলেন। সেইসময় ধস নামে।
জম্মুর বিভিন্ন প্রান্তে লাগাতার তিনদিন বৃষ্টির জেরে মঙ্গলবার দুপুর তিনটে নাগাদ রিয়াসি জেলার বিখ্যাত তীর্থস্থানের রুটে ধস নামে। পাহাড়ের গা থেকে গড়িয়ে পড়তে থাকে পাথর, বোল্ডার। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সেই ঘটনায় কমপক্ষে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৪ জন। ধ্বংসস্তূপের তলার কয়েকজন আটকে পড়েছেন বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উদ্ধারকাজে নেমেছে ভারতীয় সেনা। সাম্বার আমলির মতো এলাকা থেকে মানুষকে উদ্ধার করেছে সেনার রাইজিং স্টার কোর। তাছাড়াও পঞ্জাবের বিভিন্ন জায়গা থেকে বিপদে পড়া মানুষদের জন্য উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। কাটরা এবং আশপাশের এলাকায় উদ্ধারকাজের জন্য নামানো হয়েছে ভারতীয় সেনার হোয়াইট নাইট কোর।
