১৭ বছর পর ফিরছে ‘কিঁউ কি সাস ভি কভি বহু থি’! আজ রাতেই মহাচমক, তুলসী-মিহিরের অপেক্ষায় গোটা দেশ

কলকাতা- জনপ্রিয় অভিনেত্রী থেকে বিজেপি নেত্রী। প্রথমে সাংসদ, তার পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। দীর্ঘ পথ। স্মৃতি ইরানির জীবন নিয়ে আস্ত সিনেমা হতে পারে।

এই ধারাবাহিকের মাধ্যমেই জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তিনি। ভারতে হিন্দি ধারাবাহিকে মাইলফলক স্মৃতি ইরানি অভিনীত ‘তুলসী’ চরিত্রটি।

টানা আট বছর চলেছিল এই ধারাবাহিক। আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তিনি। তবে জানা যায়, তাঁর পারিশ্রমিক ছিল সামান্য।

সেই ‘কিঁউ কি সাস ভি কভি বহু থি’ ধারাবাহিকের ২৫ বছর পূর্ণ হল। ফের টিভির পর্দায় ফিরছেন স্মৃতি। এবারও তুলসী ভিরানি হয়ে।

নস্টালজিয়ার স্মৃতি উসকে দীর্ঘ ১৭ বছর পর ফিরে আসছে একতা কাপুর প্রযোজিত ডেলি সোপ কিঁউ কি সাঁস ভি কভী বহু থী। আজ ২৯ জুলাই থেকে স্টার প্লাসে রাত ১০.৩০ মিনিটে দেখা যাবে এই সিরিয়ালটি।

পাশাপাশি ওটিটি প্লাটফর্ম জিও হটস্টারেও একই সময় দেখা যাবে কিঁউ কি…। সবথেকে আনন্দের বিষয় তুলসি বিরানি আর মিহিরের চরিত্রে দেখা যাবে স্মৃতি ইরানি আর অমর উপাধ্যায়কে। যা ভক্তদের কাছে বিশাল বড় পাওনা।

আজকের প্রজন্ম হয়তো তুলসি আর মিহিরকে চেনে না। কিন্তু যাঁরা এই ডেলিসোপ দেখতেন, তাঁরা জানেন তুলসি আর মিহির ছিল তাঁদের পরিবারের একজন।

প্রথম সিজনটি চলেছিল ২০০০ সালের ৩ জুলাই থেকে ২০০৮-এর ৬ নভেম্বর পর্যন্ত। সিরিয়ালের প্রধান পুরুষ চরিত্র মিহিরের মৃত্যুতে কাঁদেনি এমন মানুষ মেলা ভার ছিল সেই সময়।

দর্শকের দাবি মেনে মিহিরকে ফেরাতে বাধ্য হয়েছিল প্রযোজনা সংস্থা বালাজি টেলিফিল্মস। যদিও সিরিয়ালটির শেষের দিকে অমর উপাধ্যায় মিহিরের চরিত্র ছেড়ে দেন। তাঁর জায়গায় আসেন রনিত রায়। তারপর থেকেই জনপ্রিয়তা কমতে থাকে কিঁউ কি -র। ১৮৩৩ পর্ব হওয়ার পর সিরিয়ালটি বন্ধ হয়ে যায়।

১৭ বছর ধরে নর্মদা দিয়ে বয়ে গিয়েছে অনেক জল। স্মৃতি ইরানি রাজনীতি জয়েন করেছেন। একাধিক দফতরের মন্ত্রীত্ব সামলেছেন। বর্তমানে মন্ত্রী না হলেও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। সিরিয়ালটি মূল আকর্ষণ ছিলেন তিনি এবং অমর উপাধ্যায়। তাই তুলসি চরিত্রে তাঁকে ফের পাওয়াটাই ছিল সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ।

দীর্ঘদিন ধরে প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে তাঁর কথা হচ্ছিল। অবশেষে ব্যস্ত সময় থেকে শুটিংয়ের সময় বের করতে সক্ষম হন স্মৃতি। তবে, জানা গেছে দ্বিতীয় সিজনটি সীমিত পর্বের হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *