কলকাতা- মঙ্গলবার রাতে পাক অধিকৃত কাশ্মীরেj জঙ্গি ঘাঁটিতে ভারতের প্রত্যাঘাত। কীভাবে হামলা, সাংবাদিক বৈঠকে তার ব্যাখ্যা দিলেন দুই মহিলা সেনাকর্তা। সেখানে ছিলেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিসরি। বেছে বেছে জঙ্গি ঘাঁটিগুলিতেই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুই মহিলা সেনাকর্তা উইং কমান্ডার ভ্যোমিকা সিং এবং কর্নেল সোফিয়া কুরেশি। তাঁরা আরও জানিয়েছেন, পাকিস্তানের কোনও সেনাঘাঁটি বা সাধারণ নাগরিককে টার্গেট করা হয়নি।
মঙ্গলবার রাত ১টা বেজে ৫ মিনিট থেকে দেড়টার মধ্যে অপারেশন সিদুঁর সেরেছে ভারত। নির্ভুলভাবে ৯টি জঙ্গি ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। দুই মহিলা সেনাকর্তা এদিন এয়ারক্র্যাফ্ট থেকে তোলা প্রত্যাঘাতের ছবি প্রকাশ্যে আনেন। লস্কর-ই-তৈবা, জইশ-ই-মহম্মদ, হিজবুল মুজাহিদিনের ঘাঁটিতে হামলার আগে ও পরের ছবি তুলে ধরেন তাঁরা।
বিদেশ সচিব জানিয়েছেন, তিন দশক ধরে পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদে মদত দিচ্ছে। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ শিবির চলছে। ভারতের তরফে বার বার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জঙ্গিদের মদতের অভিযোগ করা হলেও প্রতিবারই তারা অভিযোগ অস্বীকার করেছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রত্যাঘাত হানল ভারতীয় সেনা।
পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পাঁচটি এবং পঞ্জাব প্রদেশে চারটি জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারত। ভারতীয় সেনার তরফে শিয়ালকোট, মুরিদকে, কোটলি, বাহওয়ালপুর এবং মুজফ্ফরাবাদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। মুরিদকেতেই রয়েছে জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈবার সদর দপ্তর।
