কলকাতা- জঙ্গিদের আশ্রয় দিয়েই চলেছে পাকিস্তান! মে মাসেই ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গিঘাঁটি। এবার সেগুলিরই পুনর্নির্মাণ শুরু হয়েছে।
পুনর্নির্মাণের জন্য আর্থিক সাহায্য করছে পাক সরকারই। এমনই বিস্ফোরক তথ্য সামনে এসেছে গোয়েন্দা সূত্রে।
পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার জবাবে ৭ মে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ৯টি জঙ্গিঘাঁটিতে নির্ভুল হামলা চালিয়েছিল ভারতীয় সেনা। তিনটি প্রধান জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ, লস্কর-ই-তৈবা, হিজবুল মুজাহিদিনের ঘাঁটি ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে অন্যতম ছিল বাহাওয়ালপুরে অবস্থিত জইশের সদর দপ্তর।
সূত্রের খবর, এবার ভারতের হামলায় ধ্বংসপ্রাপ্ত সেই জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবির ও লঞ্চপ্যাডগুলি পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও আইএসআইয়ের সহযোগিতায় পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছে। যেগুলি বেশিরভাগই রয়েছে পাক অধিকৃত কাশ্মীর সংলগ্ন এলাকায়।
মূলত নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে ঘন জঙ্গলে উচ্চ প্রযুক্তিসম্পন্ন ছোট জঙ্গিঘাঁটি নির্মাণ করা হচ্ছে। যাতে ভারতের রাডার ও স্যাটেলাইটের নজরদারি এড়ানো যেতে পারে।
আরও জানা গিয়েছে যে, বর্তমানে পুনর্নির্মিত জঙ্গিঘাঁটিগুলি লুনি, পুটওয়াল, তাইপু পোস্ট, জামিলা পোস্ট, উমরানওয়ালি, চাপরার, ফরোয়ার্ড কাহুতা, ছোটা চক এবং জাংলোরার মতো এলাকায় অবস্থিত। সেই পাকিস্তানের সেনাবাহিনী এবং আইএসআই পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ১৩টি লঞ্চিংপ্যাড পুনর্নির্মাণ করছে। এছাড়াও জম্মু সেক্টরে আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর চারটি লঞ্চপ্যাড পুনর্নির্মাণ করছে আইএসআই। যেগুলি অপারেশন সিঁদুরের সময় গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এবারে বৃহত্তর জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবিরগুলিকে ভেঙে ছোট ছোট শিবিরে ভাগ করে দিয়েছে আইএসআই। যাতে কোনও হামলার ফলে সম্ভাব্য ক্ষতি কমানো যায়। প্রতিটি ছোট শিবিরগুলির পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পাকিস্তানি সেনা থাকবেন বলে খবর। এমনকি সম্প্রতি বাহাওয়ালপুরে পাক জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গে আইএসআইয়ের শীর্ষ কর্তাদের বৈঠকের খবরও জানতে পেরেছে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি।
