কলকাতা- মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে ভারতের সাধারণ গ্রাহকদের স্বস্তি দিতে বড় ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার জানানো হয়েছে, বিশ্বজুড়ে সরবরাহ শৃঙ্খল বিঘ্নিত হলেও ভারতে ১০০ শতাংশ গার্হস্থ্য এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।
আতঙ্কিত হয়ে সিলিন্ডার বুকিং বা ‘প্যানিক বুকিং’ রুখতে বুকিং ব্যবস্থার ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়েছে কেন্দ্র। এখন থেকে দুটি সিলিন্ডার বুকিংয়ের মধ্যবর্তী ন্যূনতম সময় ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে।
সরকারের স্পষ্ট বার্তা, রান্নার গ্যাসের কোনো ঘাটতি নেই, তাই বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান দিয়ে হুড়োহুড়ি করার প্রয়োজন নেই।
- গার্হস্থ্য সরবরাহ: ১০০ শতাংশ বজায় রাখা হবে।
- চা শিল্প: প্রায় ৮০ শতাংশ সরবরাহ পাবে।
- পেট্রোল: সরবরাহে কিছুটা কাটছাঁট করা হতে পারে।
- হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: এদের এখন থেকে ‘নন-ডোমেস্টিক’ বা অ-গার্হস্থ্য বিভাগে গণ্য করা হবে।
- আমদানি: এলপিজি আমদানির ৬০ শতাংশই আসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে, তাই অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ২৫ শতাংশ বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে দিল্লিতে একটি সিলিন্ডারের দাম ৯১৩ টাকা। সরকারের দাবি, ভর্তুকি ও হস্তক্ষেপ না থাকলে এই দাম আরও অনেক বেশি হত।
কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি জানিয়েছেন, বিভিন্ন বিকল্প উৎস ও রুট থেকে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রয়েছে।
