কলকাতা- বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার ভোল বদলে দিতে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ‘এল নিনো’। জলবায়ু বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, ২০২৬ সাল এক ভয়াবহ ‘সুপার এল নিনো’ পর্যায়ের সাক্ষী হতে পারে, যা গত কয়েক দশকের সব রেকর্ড ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।
ইউরোপীয় সেন্টার ফর মিডিয়াম-রেঞ্জ ওয়েদার ফোরকাস্টস-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, আগামী জুন মাসের মধ্যেই প্রশান্ত মহাসাগরে এই পরিবর্তন স্পষ্ট হয়ে উঠবে।
সাধারণত এল নিনো পর্যায়ে প্রশান্ত মহাসাগরের মাঝ বরাবর সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক বেড়ে যায়। এর প্রভাবে বিশ্বব্যাপী বায়ুপ্রবাহের স্বাভাবিক গতিপথ বদলে যায়। ভারতের জন্য এর ফলাফল হতে পারে মারাত্মক:
• তীব্র তাপপ্রবাহ: উত্তর ও মধ্য ভারতে গ্রীষ্মকালীন দাবদাহ বা হিটওয়েভের প্রকোপ অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে।
• খরা ও বৃষ্টির ঘাটতি: এল নিনোর কারণে ভারতে মৌসুমি বায়ু দুর্বল হয়ে পড়ার ইতিহাস রয়েছে। ফলে জুন থেকে সেপ্টেম্বরের বর্ষাকালে বৃষ্টির ব্যাপক ঘাটতি দেখা দিতে পারে, যা সরাসরি প্রভাব ফেলবে কৃষিকাজে।
বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, যখন প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি বেড়ে যায়, তখন তাকে ‘সুপার এল নিনো’ বলা হয়। এর আগে ১৯৯৭-৯৮ এবং ২০১৫-১৬ সালে এই ধরনের ঘটনা বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়া ও রেকর্ড তাপমাত্রা সৃষ্টি করেছিল।
