কলকাতা- মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় বলে দিয়েছিলেন, রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিতে দেবেন না। রাজ্যের চার অফিসার সহ মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর এমনটাই বলেছিলেন তিনি।
বুধবার রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে কমিশন ডেকে বুঝিয়ে দিয়েছে, ওই পাঁচজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই হবে। ২১ অগস্ট পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে রাজ্যকে।
ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগ উঠেছিল রাজ্যের চার অফিসার ও এক অস্থায়ী কর্মীর বিরুদ্ধে। তাঁরা হলেন- বারুইপুর পূর্ব (১৩৭) বিধানসভা কেন্দ্রের ইআরও দেবোত্তম দত্ত চৌধুরী ও সহকারী ইআরও তথাগত মণ্ডল, ময়না বিধানসভা কেন্দ্রের ইআরও বিপ্লব সরকার ও এআইআরও সুদীপ্ত দাস এবং ফর্ম-৬ প্রক্রিয়াকরণে যুক্ত ক্যাজুয়াল ডেটা এন্ট্রি অপারেটর সুরজিত হালদার।
সোমবারই মুখ্যসচিব নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়ে জানান, এই মুহূর্তে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। তবে তাঁদের মধ্যে দু’জন যথাক্রমে বারুইপুর পূর্বের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর সুরজিৎ হালদার ও ময়নার এইআরও সুদীপ্ত দাসকে নির্বাচন সংক্রান্ত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
নবান্ন একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে বলেও দাবি করা হয় ওই চিঠিতে। আর এই পদক্ষেপ করা নিয়ে রাজ্যের তরফে দাবি করা হয়, বিস্তারিত তদন্তের আগে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তা কর্মীদের মনোবল ভেঙে দিতে পারে।
