এয়ারপোর্টের পাশে থাকা উঁচু বিল্ডিং ভাঙা হবে! নতুন বিল আনল সরকার, উড়ান মন্ত্রকের বড় সিদ্ধান্ত

কলকাতা- আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা। বড় সিদ্ধান্ত নিল অসামরিক উড়ান পরিবহন মন্ত্রক।

আহমেদাবাদ বিমানবন্দরের কাছেই বিজে হস্টেলের উপর বিমান ভেঙে পড়ার পর একদিকে যেমন প্রশ্ন উঠেছিল বিমানবন্দরের আশেপাশে উঁচু ইমারত বা বিল্ডিং নিয়ে। সেই উঁচু বিল্ডিং তৈরিতে রাশ টানতেই বড় সিদ্ধান্ত  অসামরিক উড়ান মন্ত্রকের।

নতুন একটি খসড়া বিল আনল অসামরিক উড়ান মন্ত্রক। এয়ারক্রাফ্ট (ডেমোলিশন অব অবস্ট্রাকশনস) রুলস ২০২৫ শীর্ষক এই খসড়া বিলে বিমানবন্দরের আশেপাশে বিল্ডিংয়ের উচ্চতা নিয়ন্ত্রণ করার কথা বলা হয়েছে।

যে বিল্ডিংয়ের কারণে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা বা ঝুঁকি রয়েছে, তা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

১৮ জুন এই খসড়া বিল প্রকাশ করা হয়। শীঘ্রই অফিসিয়াল গেজেট প্রকাশিত হবে। বিলে স্পষ্ট বলা রয়েছে, এয়ারডোম জোনের অধীনে থাকা বিল্ডিং ও গাছ, যা উচ্চতার সীমা লঙ্ঘন করছে, তার বিরুদ্ধে প্রশাসনকে দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে।

খসড়া বিলে বলা হয়েছে, যদি বিমানবন্দর বা অ্যারোডোমের আশেপাশে কোনও বিল্ডিং প্রস্তাবিত উচ্চতার সীমা লঙ্ঘন করে, তবে অ্যারোডোমের অফিসার ইনচার্জ নোটিস পাঠাবেন। ওই বিল্ডিংয়ের মালিককে বিল্ডিংয়ের প্ল্যান থেকে শুরু করে আয়তন-উচ্চতা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য ৬০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে। যদি কেউ তা না করেন, তবে বিল্ডিংয়ের উচ্চতা কমিয়ে দেওয়া, এমনকী সম্পূর্ণ বিল্ডিং ভেঙে দেওয়াও হতে পারে।

৬০ দিনের মধ্যে সেই নির্দেশ পালন করতে হবে। যদি বৈধ কোনও কারণ দেখানো হয়, তবে তা সর্বাধিক আরও ৬০ দিন সময় পাওয়া যেতে পারে।

যাদের বিল্ডিং ভাঙা পড়বে বা গাছ কাটা যাবে, তারা ক্ষতিপূরণও পাবেন। ভারতীয় বায়ুযান অধিনিয়মের ২২ ধারার অধীনে তারা বৈধ নথি ও প্রমাণ নিয়ে ক্ষতিপূরণের আবেদন করতে পারবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *