কলকাতা – চলতি মাসের মধ্যেই রাজ্যজুড়ে ভোটার তালিকার ম্যাপিংয়ের কাজ (২০০২’এর তালিকার সঙ্গে বর্তমান ভোটার তালিকার তূল মূল্য বিচার) শেষ হবে।
দেশজুড়ে ভোটার তালিকার স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনের (এসআইআর) কাজ শুরু করতে সমস্ত রাজ্যকে ভোটার তালিকার ম্যাপিং শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
সেই মতো পশ্চিমবঙ্গেও ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান তালিকার ম্যাপিংয়ের কাজ চলছে। সূত্রের খবর, একাধিক জেলায় এই কাজ শেষের পর্যায়ে।
রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর বা সিইও অফিসের অনুমান, এই কাজ শেষ হলে রাজ্যে ৫২ থেকে ৫৪ শতাংশ ভোটারের মিল পাওয়া যাবে। যার অর্থ এরাজ্যে ৪৬ শতাংশ ভোটারকে এসআইআর সংক্রান্ত নথি বা কাগজ দেখাতে হতে পারে।
সূত্রের খবর, দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি জেলা বাদ দিয়ে রাজ্যের প্রায় সবকটি জেলায় ম্যাপিংয়ের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এই দুই জেলায় ম্যাপিংয়ের কাজ শেষ করতে আরও সপ্তাহখানেক বা তার বেশি সময় লেগে যেতে পারে। বাকি জেলাগুলিতে ও ম্যাপিংয়ের কাজ শেষ হবে এই মাসেই।
ম্যাপিং অনুযায়ী ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান ভোটার তালিকার সবথেকে বেশি মিল পাওয়া গিয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। এই জেলায় পুরনো তালিকার সঙ্গে নতুন তালিকার প্রায় ৬৮ শতাংশ মিল রয়েছে।
কমিশন সূত্রে পাওয়া ম্যাপিংয়ের কাজের বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান ভোটার তালিকায় পূর্ব বর্ধমান জেলায় ৬১.৫৬ শতাংশ, বাঁকুড়ায় ৬০ শতাংশ, পুরুলিয়ায় ৬৩ শতাংশ, পশ্চিম মেদিনীপুরে ৬৫.৬৯, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৫০ শতাংশ মিল পাওয়া গিয়েছে। এছাড়াও এখনও পর্যন্ত উত্তর ২৪ পরগনায় ৪২ শতাংশ, পশ্চিম বর্ধমানে ৪০ শতাংশ, নদিয়ায় ৫২ শতাংশ, বীরভূমে ৫৫ শতাংশ, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৫৯ শতাংশ ভোটারের মিল পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারে ৫৩.৭৩ শতাংশ, কোচবিহারে ৫৫ শতাংশ, কালিম্পং ৬৫.২৯ শতাংশ ভোটারের মিল রয়েছে। আরও জানা যাচ্ছে, মালদহে ৫৪.৪৯ শতাংশ, মুর্শিদাবাদে ৫২.১০ শতাংশ , ঝাড়গ্রাম ৫২ শতাংশ , উত্তর কলকাতা ৫৫.৩৫ শতাংশ এবং দক্ষিণ কলকাতায় ৫২.৬৬ শতাংশ ভোটারের মিল রয়েছে ২০০২’এর তালিকার সঙ্গে।
