কলকাতা- মধ্যপ্রাচ্যে প্রতীক্ষিত শান্তি ও স্থিতিশীলতার নতুন সংকেত। আর সেটা পাওয়ামাত্রই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের পতন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের মধ্যে “ফলপ্রসূ” আলোচনার খবরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে, যা সরাসরি প্রভাব ফেলেছে অপরিশোধিত তেলের মূল্যে।
সোমবার সকালে পারস্য উপসাগরে উত্তেজনার আশঙ্কায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেল ১১৩ ডলারে গিয়ে ঠেকেছিল। তবে ট্রাম্পের আলোচনার বার্তার পর বিকেলের দিকে এর দাম দ্রুত কমতে শুরু করে।
বিকেল ৫:৩০ মিনিটের দিকে ব্রেন্ট ক্রুড ৬.২% কমে ১০০.৩৪ ডলারে লেনদেন হতে দেখা যায়। একইভাবে ডাব্লুটিআই ক্রুডের দামেও নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।
দিনের শুরুতে পরিস্থিতি ছিল থমথমে। ইরান যদি হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে না দেয়, তবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই সুর নরম করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ট্রাম্প জানান, “গত দুদিনে ইরানের সাথে আমাদের অত্যন্ত গঠনমূলক এবং গভীর আলোচনা হয়েছে। আমরা মধ্যপ্রাচ্যের শত্রুতা সম্পূর্ণ অবসানের লক্ষ্যে কাজ করছি।”
এই আলোচনার প্রেক্ষাপটে আগামী ৫ দিনের জন্য ইরানের জ্বালানি পরিকাঠামোতে পরিকল্পিত সব হামলা স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, তেলের দাম কমার পেছনে প্রধান কারণ, সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার যে ভয় ছিল, আলোচনার খবরে তা সাময়িকভাবে দূর হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আগামী কয়েকদিন তেলের দামের গতিপ্রকৃতি নির্ভর করবে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার আলোচনার সাফল্যের ওপর। যদি এই আলোচনা ফলপ্রসূ হয়, তবে তেলের দাম আরও কমতে পারে।
