কলকাতা- কোচবিহারের নাটাবাড়িতে তুফানগঞ্জ আরএমসি গ্রাউন্ডের জনসভা থেকে সুর চড়ালেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
নির্বাচনকে ‘অনাচার বনাম উন্নয়ন’ এবং ‘শোষণ বনাম হার না মানার’ লড়াই বলে অভিহিত করেন তিনি। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের ‘বাংলাদেশি’ তকমা দেওয়া এবং বিএসএফ-এর অত্যাচারের প্রসঙ্গ তুলে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানান অভিষেক।
অভিষেক অভিযোগ করেন, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার নামে বিজেপি চক্রান্ত করছে। তাঁর দাবি, “আন্ডার অ্যাজুডিকেশনের নামে ২৭ লক্ষ নাম অবৈধভাবে কাটা হয়েছে, যার মধ্যে ১০ লক্ষেরও বেশি হিন্দু বাঙালি। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রত্যেকের ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার রক্ষা করবেন।” ভোটারদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, বাংলাদেশি বলে দাগিয়ে দিয়ে বা টাকা আটকে রেখে বাংলার মানুষকে দমানো যাবে না।
নাটাবাড়ির বিদায়ী বিজেপি বিধায়ক মিহির গোস্বামীকে ‘সুইচ অফ বিধায়ক’ বলে কটাক্ষ করেন অভিষেক। তাঁর অভিযোগ, বিধায়ক গত পাঁচ বছরে এলাকার জন্য কিছুই করেননি, প্রয়োজনে তাঁর ফোনও পাওয়া যেত না।
বিজেপির বর্তমান প্রার্থীকেও ‘বহিরাগত’ বলে আক্রমণ করে তিনি বলেন, “তৃণমূল প্রার্থী শৈলেন্দ্রনাথ বর্মা এই মাটির ভূমিপুত্র। তিনি এলাকার ১৬টি অঞ্চল হাতের তালুর মতো চেনেন, যা কোনো বহিরাগত প্রার্থীর পক্ষে সম্ভব নয়।”
২০১৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত কোচবিহারের বিজেপি সাংসদ বাংলার টাকা আটকে রাখার জন্য দিল্লিতে দরবার করেছিলেন বলে অভিযোগ তুলে অভিষেক বলেন, ২০২৪-এ কোচবিহারের মানুষ বিজেপিকে হারিয়ে যোগ্য জবাব দিয়েছেন।
