কলকাতা- স্বস্তি রাজ্যের শাসকদলের। শুধুমাত্র ‘ট্রাবল মেকার’ বা অশান্তি সৃষ্টিকারী বলে দাগিয়ে দিয়ে ঢালাও গ্রেপ্তার করা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট করেছে, নির্বাচন কমিশনের সংবিধানপ্রদত্ত ৩২৪ অনুচ্ছেদের ক্ষমতা অসীম নয়। আইন মেনেই সমস্ত পদক্ষেপ করতে হবে।
এদিন মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানায়, “কাউকে শুধুমাত্র ‘ট্রাবল মেকার’ হিসেবে চিহ্নিত করে ঢালাও গ্রেপ্তারির নির্দেশ দেওয়া প্রাথমিক ভাবে ভুল। নাগরিকদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা কেবল আইনের মাধ্যমেই সীমাবদ্ধ করা সম্ভব।”
আদালত জানিয়েছে, যদি কেউ অপরাধ করে তবে পুলিশ প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবে। সতর্কতামূলকভাবে কাউকে আটক করতে হলেও নির্দিষ্ট বিধিবদ্ধ নিয়ম মানতে হবে। কমিশন যদি এই ধরনের কোনো গণ-গ্রেপ্তারির সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে, তবে তার ওপর স্থগিতাদেশ জারি করা হচ্ছে।
সম্প্রতি তৃণমূল আশঙ্কা প্রকাশ করে তাঁদের প্রায় ৮০০ কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। গত সোমবার এনিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল শাসকদল। বুধবার তৃণমূলের পক্ষে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সওয়াল করে বলেন, ‘কিসের ভিত্তিতে রাজনৈতিক কর্মীদের ‘ট্রাবল মেকার’ বলা হচ্ছে? কাউকে গ্রেপ্তারের অধিকার পুলিশের আছে, কিন্তু কমিশন কি ম্যাজিস্ট্রেটের ভূমিকা পালন করতে পারে?”
