পাকিস্তানি নাগরিকত্ব লুকিয়ে ভারতের স্কুলে সরকারি চাকরি! তাও ১০ বছর! এতদিনে জানতে পারল পুলিশ!

কলকাতা- প্রায় ৩০ বছরেরও বেশি সময়। আর এই সময় ধরে ভারতের বুকে স্কুলের সরকারি চাকরির!শিক্ষিকার পদে কর্মরত ছিলেন পাকিস্তানি নাগরিকত্ব প্রাপ্ত ফরজানা।

মূলত, ফারজানার বিরুদ্ধ অভিযোগ তিনি পাকিস্তানি নাগরিকত্বের তথ্য লুকিয়ে জাল নথি পেশ করে এই সরকারি চাকরি পেয়েছেন। ঘটনা যোগীরাজ্য উত্তরপ্রদেশের। উত্তর প্রদেশের রামপুরের এই ঘটনায় পুলিশের নজরে ফরজানা।

মাহিরা আখতার ওরফে ফরজানা, ১৯৭৯ সালের ১৭ জুন পাকিস্তানে সিবগত আলি নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে করেন। বিয়ের পর ফরজানা ভারত থেকে চলে যান পাকিস্তান। সেখানে তিনি পাকিস্তানি নাগরিকত্ব পেয়ে যান। সেখানে তাঁদের দাম্পত্যে কোল আলো করে ৩ কন্যা সন্তানের জন্ম হয়।

রামপুরের আতিশবাজ মহল্লার ফরজানার সঙ্গে এরপর তাঁর স্বামীর বিচ্ছেদ হয়। ভারতে ফিরে আসেন ফরজানা। আসেন ভিসায়। বেশ কিছু রিপোর্টের দাবি, ভিসার মেয়াদ শেষের পরও তিনি এদেশে থেকে যান। জানা যাচ্ছে, এরপর তিনি এক স্থানীয় বাসিন্দাকে বিয়ে করেন ১৯৮৫ সালে। ১৯৯২ সালে শিক্ষিকা হিসাবে চাকরিতে যোগ দেন।

সদ্য উত্তর প্রদেশের প্রাথমিক শিক্ষা দফতর একটি অভ্যন্তরীণ তদন্তের পর, ফরজানার বিরুদ্ধে নথি জাল করে , পাকিস্তানি নাগরিকত্ব লুকিয়ে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ তুলে এফআইআর দায়ের করে।

তদন্তে নামে পুলিশ। পুলিশ জানায়, স্থানীয় কুমহারিয়া গ্রামে প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষিকার পদে রয়েছেন ফরজানা। পুলিশ বলছে,’ প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারা ৩১৮(৪), ৩৩৬, ৩৩৮ এবং ৩৪০ এর অধীনে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে যে পাকিস্তানি নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও, তিনি জাল আবাসিক শংসাপত্র ব্যবহার করে শিক্ষা বিভাগে চাকরি পেয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *