কলকাতা- ফের একটা বিশ্বকাপ ফাইনাল। আবার একটা কাপের হাতছানি।
মুম্বইতে ইংরেজদের বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দিয়ে ভারতের পাখির চোখ এবার টি ২০ বিশ্বকাপ ফাইনাল! ১৪০ কোটির স্বপ্নকে ফের একবার সত্যি করার অঙ্গীকার নিয়ে টিম ইন্ডিয়া এদিন ফাইনালের ২২ গজে পা রেখে দিল!
৭ রানে ব্রুকদের হোয়াইট ওয়াশ করে ওয়াংখেড়েতে তেজ ধরে রাখেন সূর্যরা! ইংরেজদের হারিয়ে দেয় ৭ রানে। এবার সূর্য বাহিনীর সামনে নিউজিল্যান্ড। আর এই ম্যাচে অক্ষর প্যাটেলের রুদ্বশ্বাস ক্যাচটি ম্যাচের ‘মোমেন্ট’ তৈরি করে দেয়!
২০২৬ ওয়াংখেড়ের রুদ্ধশ্বাস দ্বিতীয় সেমিফাইনালে টসে হেরে যাত্রা শুরু করে ভারত। এরপর ব্যাট হাতে মাঠে নামেন অভিষেক ও সঞ্জু স্যামসন।
অভিষেক যদিও ক্রিজে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। তবে সঞ্জু ছিলেন তাঁর সেই চেনা ইডেন- মেজাজে! ঠিক যে মেজাজে তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দুরমুশ করেছিলেন, সেই মেজাজেই।
এরপর সঞ্জুর সংহার শুরু হল। সঙ্গত দিতে থাকেন ঈশান কিষাণ। অভিষেক যখন আউট হন, তখন ভারতের স্কোর ২০ রানে ১ উইকেট। খেলার শুরুর দিকে সঞ্জুর সহজ ক্যাচ ফেলে দেন ব্রুক। জীবনদান পেয়েই সঞ্জু চালিয়ে খেলেন। ং
অর্ধশতরানের মাইল ফলক পার হলেও, সঞ্জু শতরান ছুঁতে পারেননি। ৮৯ এ থেমে যায় তাঁর ঝোড়ো ব্যাটিং ইনিংস। ততক্ষণে ঈশানও ঘরে ফিরে গিয়েছেন। তখন ওয়াংখেড়ের দর্শককে চার, ছয়ের পর পর শট উপহার দিয়ে গিয়েছেন শিবম দুবে। সঙ্গত দিয়েছেন ক্যাপ্টেন সূর্য।
ওয়াংখেড়েকে নিরাশ করে মুম্বইয়ের ভূমিপুত্র সূর্য এদিন ইউএসএ ম্যাচের সেই ম্যাজিক ফিরিয়ে দিতে পারেননি। সূর্যর দখলে ৬ বলে ১১ রান।
২৫৩ রানে শেষ হয় ভারতের দানবীয় রানের ইনিংস। যা এই বিশ্বকাপের চতুর্থ সর্বোচ্চ স্কোর। ভারত ৭ উইকেটে এই রান তোলে।
এরপর ইংল্যান্ডকে প্রথম ধাক্কা দেন হার্দিক। সল্টকে ফেরান ৫ রানে। ইংরেজদের স্কোর তখন ১৩। এরপরের ধাক্কা হানেন বুমরাহ। ফিরে যান বিধ্বংসী ব্রুক।
বরুণ ফেরান বাটলারকে। ৫.৫ ওভারে ততক্ষণে ইংল্যান্ডের স্কোর ৬৪ রানে ৩ উইকেট। তার আগে অবশ্য বাউন্ডারির বন্যা শুরু করেছিল ইংল্যান্ড।
একটা সময় ১৬ ওভারে ১৯৩ রান ঘরে আসে ইংল্যান্ড। ভারতের সংগ্রহে তখন ইংল্যান্ডের ৫ উইকেট। পরিস্থিতি রুদ্ধশ্বাস হতে থাকে। বেথেল তখনও বিধ্বংসী মেজাজে! ১৮ ওভারে ৬ মেরে সেরে ফেললেন শতরান। শেষ ওভারে ৩০ রান দরকার ছিল ইংল্যান্ডের। এরপর রুদ্ধশ্বাস এক রান আউটে যবনিকা পতন হয় জ্যাকব বেথেলের ইনিংসের। তার সঙ্গেই কার্যত ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপের আশা কফিনবন্দি হয়।
