‘২৬-এর পর ওদের দিয়ে জয় বাংলা বলাব’, ২১-এর মঞ্চ থেকে BJP-কে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

কলকাতা- ভোটার আইডি ইস্যুতে লড়াই করতে গিয়েই ৩২ বছর আগে প্রাণ হারিয়েছিলেন যুব কংগ্রেসের ১৩ জন। সেই দিন স্মরণ করতেই ২১ জুলাই দিনটিকে শহিদ দিবস হিসেবে পালন করে তৃণমূল।

এদিনই অভিষেক ভোটার তালিকা থেকে নাম কাটা নিয়ে সতর্ক করলেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের। এদিন অভিষেক বললেন, ‘বিজেপিকে প্রথম বাংলাবিরোধী আমরা বলেছি। আমরা জনতার গর্জনের ডাক দিয়েছিলাম। শুধু রাজনৈতিক স্লোগান নয়। সেটাই বিজেপির আসল চরিত্র। বিজেপি বাংলার সংস্কৃতি নিয়ে তাচ্ছিল্য করে, ময়দানে জিততে না পেরে নির্লজ্জের মতো গরিব মানুষকে মারার পরিকল্পনা করে। টাকা আটকে রাখে। ওদের একটাই পরিচয়, ওরা বাংলাবিরোধী।’

তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, ‘আমরা বাংলায় কথা বলি। ১০০ বার বলব। গর্ব করে বলব। ২০২৬ সালের পর বিজেপিকে দিয়েও ‘জয় বাংলা’ বলাব। লিখে রাখুন।’ তিনি বলেন, ‘৩৩ বছর আগে ভোটাধিকার আদায়ের জন্য রক্ত দিয়েছে তৃণমূলের কর্মীরা। আজও সেই লড়াই করতে হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতদুষ্ট ভূমিকা মানা হবে না। প্রয়োজনে বৃহত্তর আন্দোলনে যাবে তৃণমূল। দিল্লি পর্যন্ত কর্মসূচি গড়াবে।’

অভিষেক আরও বলেন, ‘আমরা মেরুদণ্ড বিক্রি করব না। গলা কেটে দিলেও ‘জয় বাংলা’ স্লোগান বেরোবে। এক দিকে ইডিকে ব্যবহার করা হচ্ছে। আর এক দিকে নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করে ভোটার তালিকা থেকে নাম কেটে দিচ্ছে। দু’টি ই-কে কাজে লাগাচ্ছে। কেউ ভয় পাবেন না।’

অভিষেক বলেন, ‘ঠ্যালার নাম বাবাজি! ছাব্বিশের ভোটের পর এদের দিয়ে আমরা জয় বাংলা বলাব।’ অভিষেক চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেন, ‘এখন বলছে জয় কালী, ছাব্বিশের পরে জয় বাংলা বলাব। এখন বিজেপিকে জয় দুর্গা বলতে হচ্ছে, এটাই আমাদের জয়। বিজেপিকে এখন জয় শ্রীরাম বর্জন করতে হয়েছে, এটাই আমাদের জয়।’ তৃণমূল সেনাপতি বলেন, ‘বাংলার মানুষকে লাঞ্ছনা করা হচ্ছে, ভোটার তালিকায় কারচুপি করেও জিততে পারেনি। বাংলায় কথা বললেই অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলছেন বাংলাদেশি। জনতার গর্জন, বাংলায় বিজেপির বিসর্জন। গর্ব করে বলব, এবার থেকে নিয়ম করে সংসদে বাংলায় বলব, দেখব কার গায়ে কত জ্বালা। বলেছিলাম বিজেপি ৫০ পেরোবে না। ২০২১-এ বলেছিলাম, খেলা হবে। এবার বলছি, পদ্মফুল উপড়ে ফেলতে হবে। এবারে ওদের শূন্যতে নামিয়ে আনতে হবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *