কলকাতা- বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুটি লকার থেকে নাকি ৯,০০০ গ্রাম সোনা পাওয়া গিয়েছে। এমনই দাবি করা হল বাংলাদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমে। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকার দিলকুশায় অগ্রণী ব্যাঙ্কের প্রধান শাখায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর হাসিনার দুটি লকার ছিল। সেই দুটি আগেই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। তবে লকার খোলার জন্য আদালতের অনুমতির অপেক্ষা করা হচ্ছিল। আদালতের অনুমতি পাওয়ার পরে ওই দুটি লকার খোলা হয়। সেইসময় হাজির ছিলেন এক ম্যাজিস্ট্রেট, বাংলাদেশ ব্যাঙ্ক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, দুর্নীতি দমন কমিশন-সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এক আধিকারিককে উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে দুটি লকার থেকে ৮৩২ ভরি সোনা পাওয়া গিয়েছে।
যদিও হাসিনার সম্পদের তথ্য গোপন করেছিলেন কিনা, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত নয় বাংলাদেশের প্রশাসন। হাসিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল যে সম্পদ সংক্রান্ত তথ্য গোপন করেছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, যাতে করফাঁকি দেওয়া যায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে সেপ্টেম্বরে হাসিনার ওই দুটি লকার বাজেয়াপ্ত করা হয়। পরবর্তীতে লকার খোলার জন্য নেওয়া হয় আদালতের অনুমতি। এখন যে সোনা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, তা আয়কর রিটার্নের সঙ্গে মেলানো হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এক আধিকারিক।
এখনকার বাজারে ওই পরিমাণ সোনার দাম কত? বাংলাদেশের ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০ নভেম্বর বাংলাদেশে ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ২,০৮,১৬৭ টাকা। যদি দু’লাখ টাকাও ধরা হয়, তাহলে ৮৩২ গ্রাম সোনার দাম পড়বে ১৬৭ কোটি টাকার মতো (বাংলাদেশি মুদ্রায়)। যদিও হাসিনার দুটি লকার থেকে যে পরিমাণ সোনা মিলেছে, সেটা ২২ ক্যারেটের সোনা কিনা, তা স্পষ্ট নয়। ফলে আসল দামটা বোঝা দুষ্কর।
