কলকাতা- নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি খারিজ করার আর্জি জানিয়ে মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে। বুধবার ডিভিশন বেঞ্চ সেই মামলা খারিজ করে দিয়েছে।
এদিন বিচারপতি সৌমেন সেন ও স্মিতা দাস দে-র ডিভিশন বেঞ্চ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করতে চায়নি। আজকের রায়ের পর আপাতত নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুসারে নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে এসএসসির কোনও বাধা রইল না।
মামলাকারীর অভিযোগ, নবম–দশম ও একাদশ–দ্বাদশের শিক্ষক পদে যে মোট ৩৫ হাজার ৭২৬ জনের নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে এসএসসি (SSC), তা অবৈধ। সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের নিয়োগ প্যানেল বাতিল হওয়ায় যেহেতু নতুন নিয়োগ হচ্ছে, তাই সেটা ২০১৬–এর বিধি অনুযায়ী করতে হবে। নতুন নিয়োগ পরীক্ষা নিতে হবে ২০১৬–এর চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে থেকেই। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সেই নির্দেশ মানা হচ্ছে না। ২০১৬ সালের শূন্যপদের সঙ্গে এ বছরের নতুন শূন্যপদ মিলিয়ে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার জন্য ১০ নম্বর অতিরিক্ত দেওয়ার বিষয়টি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে৷
২০১৬–র নিয়োগ দুর্নীতির জেরে যেসব চাকরিপ্রার্থী ‘বঞ্চিত’ হয়েছিলেন অথবা ওয়েটিং লিস্টে ছিলেন, তাঁদের শিক্ষকতা করার আগাম অভিজ্ঞতা নেই। তাই সেই ১০ নম্বর তাঁরা পাবেন না। তাঁর আরও যুক্তি, ২০১৬–এর সব চাকরিপ্রার্থীর বয়সে ছাড়ের ক্ষেত্রেও শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মানা হয়নি। তাই ২০২৫-এর নতুন বিজ্ঞপ্তি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরিপন্থী।
রাজ্য সরকার কীভাবে ২০১৬ সালের নিয়োগ মামলায় ২০২৫–এর নতুন বিধি বলবৎ করতে চাইছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে মামলায়।
