নোবেল পেলেন মাচাদো, দিয়ে দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্পকে! এমনটা করা যায় নাকি? নিয়ম কী বলছে, জেনে নিন

কলকাতা – নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীর কাছ থেকে কখনও সম্মান ও স্বীকৃতি কেড়ে নেওয়া যায় না। তবে বিজয়ী চাইলে পদকটি অন্য কাউকে দিয়ে দিতে পারেন।

শান্তিতে নোবেল বিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো তাঁর পদকটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উপহার দেওয়ার এক দিন পর গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতিতে এমন ব্যাখ্যা দিয়েছে নোবেল কমিটি।

ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো তাঁর নোবেল পদকটি ট্রাম্পকে উপহার দেন। এ জন্য ট্রাম্প তাঁকে ধন্যবাদ জানান। হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত এক ছবিতে দেখা যায়, মাচাদো সোনার ফ্রেমে বাঁধানো পদকটি ট্রাম্পের হাতে তুলে দিচ্ছেন। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ট্রাম্প পদকটি নিজের কাছে রেখে দিতে চান।

পদকের পাশাপাশি নোবেল শান্তি পুরস্কারের অংশ হিসেবে একটি সম্মাননাপত্র ও ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা (১১ লাখ ৯০ হাজার ডলার) পেয়েছেন মাচাদো।

বিবৃতিতে নোবেল কমিটি বলেছে, পুরস্কারের প্রাপক হিসেবে প্রকৃত বিজয়ীর নামই আজীবন নথিভুক্ত থাকবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিজয়ী ব্যক্তি পদক বা পুরস্কারের অর্থ দিয়ে কী করবেন, সে বিষয়ে নোবেল ফাউন্ডেশনের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। অর্থাৎ একজন বিজয়ী চাইলে এই স্মারকগুলো নিজের কাছে রাখতে পারেন, অথবা কাউকে দান করতে বা বিক্রি করে দিতে পারেন।

পাঁচ সদস্যের নোবেল কমিটি বলেছে, পদক ও সম্মাননাপত্র নোবেল পুরস্কারের বস্তুগত প্রতীকমাত্র। পুরস্কারের প্রকৃত মাহাত্ম্য হলো এর সম্মান ও স্বীকৃতি, যা বিজয়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে।

নোবেল কমিটি বলেছে, পুরস্কার ঘোষণার পর কোনো বিজয়ীর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত বা কাজ নিয়ে তারা কোনো মন্তব্য করে না।

এর আগে শান্তিতে নোবেলজয়ী দিমিত্রি মুরাতভ ২০২২ সালে ইউক্রেনের শরণার্থী শিশুদের জন্য তহবিল সংগ্রহ করতে নিজের নোবেল পদক ১০ কোটি ডলারে বিক্রি করেছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *