কলকাতা: দিনভর গায়ে থেকে যাচ্ছে মৃদু জ্বর। তবে শীত করছে না, কাঁপুনি নেই। সর্দিকাশির সঙ্গে থাকছে পেটের নানা সমস্যা। ২০২২-এ ওমিক্রন আসার পর করোনার যে সব উপসর্গ দেখা গিয়েছে তার মধ্যে দু’টি উপসর্গ দেখা যাচ্ছে ভাইরাসের নতুন দু’টি উপ-প্রজাতির সংক্রমণেও।
চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, চিন, হংকং, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুরের পরে এ দেশেও করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে নতুন এই দু’টি উপসর্গও। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সম্ভবত নতুন উপপ্রজাতির মিউটেশনের কারণেই এমনটা দেখা যাচ্ছে। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)–ও জানিয়েছে, স্পাইক প্রোটিনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের কারণে সামান্য একটু চরিত্র বদলের কারণেই হয়তো এমনটা হচ্ছে।
ওমিক্রনের একটি উপ-প্রজাতি হলো পিরোলা (পিএ.২.৮৬) যা থেকে পরবর্তীকালে জেএন.১ শাখার জন্ম হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) জানিয়েছে, এখন এশিয়ার বিভিন্ন জায়গা এবং আমেরিকায় যে দু’টি করোনার নতুন রূপের সন্ধান মিলেছে সেই এনবি.১.৮.১ এবং এলএফ.৭ উপপ্রজাতি দু’টির জন্ম হয়েছে জেএন.১ থেকে। সংক্রমণের বহর বেশি হলেও উপসর্গ মৃদু্ই থাকছে শতকরা ৯৭ জন করোনা রোগীর ক্ষেত্রে। ফলে এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে চিন্তা বা আতঙ্কের কিছু নেই, বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
