কলকাতা- ইউনেস্কো ২০২১ সালে বাংলার দুর্গাপুজোকে ‘ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
এর পরই রাজ্যে একটি ‘দুর্গা অঙ্গন’ করার পরিকল্পনা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার তারই শিলান্যাস হয়ে গেল নিউটাউনে।
কেন এই ‘দুর্গা অঙ্গন’ করা দরকার ছিল। নিউটাউন বাস স্ট্যান্ডের ঠিক বিপরীতে, অ্যাকশন এরিয়া–ওয়ানে প্রায় ১৭ একরেরও বেশি জমিতে এই প্রকল্পের সূচনা হল।
দিঘার জগন্নাথ মন্দির নির্মাণের দায়িত্বে থাকা হিডকোই ‘দুর্গা অঙ্গন’ নির্মাণের দায়িত্ব পেয়েছে। প্রশাসনিক কর্তাদের মতে, ভবিষ্যতে এই প্রকল্প রাজ্যের অন্যতম বড় পর্যটন ও সাংস্কৃতিক আকর্ষণ কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী সেই প্রসঙ্গেই ইউনেস্কোর কথা তোলেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ”জাতীয় উৎসব হিসেবে ইউনেস্কোর থেকে যে সম্মান পেয়েছি সেটা সংরক্ষিত রাখার জন্য, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য, দুর্গা অঙ্গন প্রয়োজন।”
মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, ‘দুর্গা অঙ্গন’ নির্মাণে আনুমানিক খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ২৬২ কোটি টাকা। মন্দির চত্বরের চারপাশে ২০ ফুট চওড়া ঘোরার পথ করা হচ্ছে। ১ হাজার ৮টি স্তম্ভ থাকছে এবং মূল গর্ভগৃহের উচ্চতা হবে ৫৪ মিটার। মূল মণ্ডপ ছাড়াও সিংহদুয়ার ও অন্য মণ্ডপও থাকবে এই ‘দুর্গা অঙ্গন’-এ। মমতা দাবি করেন, এটি বিশ্বের বৃহত্তম দুর্গাঙ্গন হবে।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহেই সেই মন্দিরের শিল্যানাস হবে। জমিও দেখা হয়ে গেছে, পরিকল্পনা তৈরি।
