কলকাতা – দুর্গাপুজো শেষ হতেই রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রী সুজিত বসুর অফিসে ইডি হানা। আজ পুর নিয়োগ মামলার তদন্তে এই তল্লাশি অভিযান চালানো হয়।
জানা গিয়েছে, না দেওয়া ১০ জায়গার মধ্যে অন্যতম হল সল্টলেক সেক্টর ওয়ানের একটি ভবন। সেই বিল্ডিংয়েই নাকি সুজিত বসুর অফিস রয়েছে। এদিকে সল্টলেক ছাড়াও শরৎ বোস রোড, নিউ আলিপুর, ঠনঠনিয়াতেও ইডি হানা দিয়েছে। নাগেরবাজারেও হানা দিয়েছে ইডি। একাধিক মামলায় এই সব অভিযান চলছে বলে জানা গিয়েছে।
এর আগে ২০২৪ সালের ১২ জানুয়ারি পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে লেকটাউনে সুজিতের দু’টি বাড়ি এবং দফতরে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল ইডি। সেদিন ১৪ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু নথি এবং সুজিত বসুর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছিলেন অফিসাররা। উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রথমে তদন্ত চালাচ্ছিল সিবিআই।
স্কুলে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে সিবিআই পুর নিয়োগ দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছিল। স্কুল এবং পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল ব্যবসায়ী অয়ন শীলকে। সেই মামলায় বেইআনি আর্থিক লেনদেনের তদন্ত করতে ইডি তদন্ত শুরু করেছিল।
এই মামলায় ইতিমধ্যেই চার্জশিটও দাখিল করেছে সিবিআই। জানানো হয়, অয়ন শীলের মাধ্যমে কলকাতা-সহ ১৬টি পুরসভায় বেআইনি ভাবে চাকরি বিক্রি করা হয়েছিল।
এর আগে আজ সকাল সকাল নাগেরবাজারে দীপক দে নামক এক ব্যক্তির বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালায় ইডি। রিপোর্ট অনুযায়ী, নাগেরবাজারে শ্যামনগর রোডে শোভনা অ্যাপার্টমেন্টে থাকেন এই দীপক। একটি স্কুলের মালিক তিনি। এলাকাতেও তাঁর বেশ নামডাক, পরিচিতি আছে। তিনি তৃণমূল ঘনিষ্ঠ বলেও পরিচিত।
জানা যাচ্ছে, যে দীপক দে-র বাড়িতে ইডি হানা দিয়েছে, তিনি জিডি গোয়েঙ্কা পাবলিক স্কুলের মালিক। এছাড়াও প্রোমোটিং, বিল্ডার্সের ব্যবসা রয়েছে তাঁর। প্রাথমিক ভাবে রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, আর্থিক তছরুপ সংক্রান্ত মামলার তদন্তে দীপকের বাড়িতে এই তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। তল্লাশির পাশাপাশি জিজ্ঞাসাবাদও চলছে বলে জানা গিয়েছে।
