কলকাতা- আশ্চর্য উত্থান বোধহয় একেই বলে! ১৮ জুন ভিলেজ পুলিশের চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ি থানা এলাকার চূড়াভাণ্ডার গ্রাম পঞ্চায়েত অঞ্চলের ভিলেজ পুলিশ রামমোহন রায়।
২১ জুন চামুর্চির সন্দীপ ছেত্রীকে সরিয়ে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জলপাইগুড়ি জেলা কমিটির সভাপতি করা হল তাঁকে। রামমোহন নিজে অবশ্য বলছেন, দল যে তাঁকে এত বড় দায়িত্ব দেবে, সেকথা আগে থেকে আঁচই করতে পারেননি তিনি।
রামমোহনের উত্থান ঘিরে তৃণমূলের ঘরে-বাইরে জল্পনা তুঙ্গে। অনেকে মনে করছেন, আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচনে ময়নাগুড়ি আসনে রামমোহনের মনোনয়ন এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। আবার অনেকে মনে করছেন, জেলায় যুব সংগঠনে পরিচিত রাজবংশী মুখ আনতেই রামমোহনকে এই পদে বসানো হয়েছে।
২০১২ সালে ভিলেজ পুলিশ পদে নিয়োগের আগে কলেজে টিএমসিপি নেতা হিসেবে নজর কেড়েছিলেন রামমোহন। চাকরিতে থাকাকালীনও রামমোহনকে ঘিরে বিতর্ক ছিল সবসময়ই। কখনও থানায় তাঁর জন্য আলাদা চেম্বার বা গাড়ি ব্যবহার করা নিয়ে বিতর্ক। আবার কখনও তাঁর নামে চলা ফ্যান ক্লাবের কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্ক। বিরোধী দলের নেতারা রামমোহনের বিরুদ্ধে লরি-ডাম্পার সিন্ডিকেট থেকে মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।
রামমোহন বলছেন, ‘ব্যক্তিগত কারণেই ১৮ জুন চাকরি ছেড়েছিলাম। ভাবিনি দু’দিন পরেই দল আমাকে এত বড় দায়িত্ব দেবে। দলীয় সৈনিক হিসেবে লড়াইয়ের ময়দানে আমার সবটুকু উজাড় করেই দেব।’
