কলকাতা- ডায়মন্ড হারবার বনাম নর্থ ইস্ট। আজ গোটা বাংলা গলা ফাটাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের জন্য। এখন প্রশ্ন হল ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কি মাঠে আসছেন’!
ডুরান্ড কাপের ফাইনাল আজ। আজ নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি নামছে নিজেদের ট্রফি ধরে রাখার লক্ষ্যে। এদিকে ডায়মন্ডহারবারকে হাজার ১৫ টিকিট কিনে মাঠ ভরানোর উদ্যোগ নিতে হচ্ছে।
নর্থইস্ট কোচ পেদ্রো বেনালি এদিন বলে গেলেন, ‘গুয়াহাটিতে আইএসএল ডার্বিতে পুরো গ্যালারি খালি ছিল, মনে পড়ে? এর নাম ফুটবল ভালবাসা?’
মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট-ইস্টবেঙ্গলের বিদায়ে এরকম সমর্থকহীন একটা দলের বিরুদ্ধে খেলাটা সহজ হয়ে গেল কি? বেনালি প্রবল আপত্তি জানিয়ে বলেছেন, ‘না, আমি বলব উলটো। কার সমর্থক বেশি সেটা বড় কথা নয়। মাঠ ভরা থাকলে ফুটবলারদের খেলতে ভাল লাগে। গতবার মোহনবাগানের সমর্থকরা মাঠ ভরিয়েছিলেন বলেই আমার ছেলেরাও উত্সাহিত হয়।’
দর্শক হিসাবে ডায়মন্ড হারবার থেকে কিছু মানুষ, মন্ত্রী, প্রতিরক্ষা দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী সঞ্জয় শেঠ, সামরিক বাহিনীর লোকজন ও তাঁদের পরিবার হয়তো থাকবেন আজ মাঠে। কিন্তু প্রকৃত ফুটবলপ্রেমীরা কেন এই রাজ্যেরই একটা দলকে সমর্থন করতে এগিয়ে আসবেন না, প্রশ্নটা থেকেই গেল।
নর্থ ইস্ট ছয় বিদেশিকেই পাচ্ছে। সঙ্গে দলের বাকিরাও ফর্মে। চোট-আঘাত নিয়ে ঘুরিয়ে প্রশ্ন করতেই মুচকি হাসি স্প্যানিশ কোচের মুখে, ‘কারও চোট নেই। পরের উড়ানে সবাই আসছে। আর আলাদিনের (আজারেই) কথা জানতে চাইছেন তো? সেও আসছে সঙ্গে।’
শক্তির বিচারে পিছিয়ে ডায়মন্ড হারবার। আলাদিনের জন্য নিশ্চিতভাবেই আলাদা পরিকল্পনা থাকবে কিবুর। তবে নিজেই জানালেন, ‘ওরা গোটা দলটাই শক্তিশালী। তাই আলাদিনকে পাহারায় রাখতে তো হবে, সঙ্গে মাথায় রাখতে হবে বাকিদের কথাও।’
