কলকাতা- আজ নদিয়ার কালীগঞ্জে উপনির্বাচন। কেন্দ্রীয় বাহিনী নজরদারিতে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে হচ্ছে উপনির্বাচন।
নির্বাচন ঘিরে সকাল থেকেই শুরু হয়েছে উত্তেজনা। ভোট শুরু হতেই একের পর এক বুথে অশান্তির খবর মিলছে। বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, তাদের এজেন্টদের বুথে বসতে দেওয়া হয়নি। কোথাও আবার এজেন্টকে জোর করে বের করে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। পাশাপাশি ইভিএম বিকল হয়ে যাওয়ারও খবর পাওয়া গিয়েছে।
সকাল থেকেই বৃষ্টি উপেক্ষা করে বুথমুখী হতে দেখা যায় ভোটারদের। যদিও বৃষ্টির কারণে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার প্রথম দিকে ভোটারদের সংখ্যা ছিল তুলনামূলক কম। তা সত্বেও বিভিন্ন জায়গা থেকে অভিযোগ উঠে আসছে।
অনন্তপুর এলাকার ২০৪ নম্বর বুথে কংগ্রেসের এজেন্টকে বসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আবার মীরা ওয়ান হরিজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২১ নম্বর বুথে কংগ্রেস এজেন্টকে বুথ থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ। দুই ক্ষেত্রেই অভিযোগের আঙুল তোলা হয়েছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। যদিও তৃণমূল এসব অভিযোগ মানতে নারাজ।
১৭৭ নম্বর বুথে ভোটের মেশিন (ইভিএম) কাজ না করায় সমস্যার কথা জানিয়েছেন প্রাক্তন বাম বিধায়ক। এতে বেশ কিছুক্ষণের জন্য ভোটগ্রহণে বিঘ্ন ঘটে। হাটগাছা অঞ্চলের ৮০ নম্বর বুথে বিদ্যুতের সমস্যার কারণে বেশ কিছুক্ষণ ভোটগ্রহণ বিলম্ব হয়।
সকাল পৌনে আটটার সময় বিজেপি প্রার্থী আশিষ ঘোষ নিজের ভোট দিয়েছেন। পলাশীর মীরা গার্লস হাইস্কুলে এদিন সাড়ে ৮ টা নাগাদ ভোট দেন তৃণমূল প্রার্থী আলিফা আহমেদ। কালীগঞ্জে উপনির্বাচন ঘিরে মোতায়েন রয়েছে ১৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। এছাড়াও রয়েছে ৭০০ পুলিশ, ২০টি কুইক রেসপন্স টিম এবং র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের ছটি টিম। প্রতিটি বুথেই রয়েছে কড়া নজরদারি। মোবাইল নিয়ে ভোটকেন্দ্রের ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না ভোটারদের। মোট ভোটগ্রহণ কেন্দ্র রয়েছে ১৬২ টি।
