কলকাতা- তৃণমূল কংগ্রেসের দুইবারের লোকসভার সাংসদ মহুয়া মৈত্র গত ৩ মে চুপিচুপি বিয়ে করেন। জার্মানিতে গিয়ে বিয়ে করেছেন মহুয়া মৈত্র। এদিকে মহুয়ার স্বামী পিনাকী বিজু জনতা দলের রাজনীতিবিদ। পেশায় তিনি আইনজীবী। তিনি পুরীর সাংসদ ছিলেন এর আগে। এটা মহুয়ার দ্বিতীয় বিয়ে।
এদিন ছিল মহুয়ার রিসেপশন। উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব ও তার স্ত্রী, সাংসদ ডিম্পল যাদব, শিবসেনা সাংসদ প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদী, ডিএমকে সাংসদ থাঙ্গাপান্ডিয়ান, রাজ্যসভার সাংসদ রঞ্জিত রঞ্জন, প্রাক্তন সাংসদ দানিশ আলি প্রমুখ ছিলেন সেখানে। দলের তরফে ছিলেন ইউসূফ পাঠান থেকে শুরু করে সায়নী ঘোষ, সাগরিকা ঘোষ, জুন মালিয়া, সুস্মিতা দেব, কীর্তি আজাদ, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ।
সোনিয়া গান্ধী থেকে শুরু করে সুপ্রিয়া শুলে, তেলঙ্গনার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্থ রেড্ডি থেকে পঞ্জাবের ভগবন্ত সিং মান, অনেকেই গিয়েছিলেন মহুয়া মৈত্রের রিসেপশনে। তবে মহুয়ার রিসেপশনে ছিলেন না শশী থারুর। ছিলেন না দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে বিজেপির কোনও নেতাকেও দেখা যায়নি সেখানে।
এর আগে আইনজীবী জয় অনন্ত দেহদরাইয়ের সঙ্গে তিন বছরের সম্পর্কে ছিলেন মহুয়া মৈত্র। পরে তাঁদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। দু’জনের সম্পর্কে তিক্ততা বাড়ে। পোষ্যের কাস্টডি নিয়ে মামলা গড়িয়েছিল আদালতে। অনন্তের সূত্র ধরে মহুয়া জড়িয়ে পড়েন সাংসদ পোর্টালের লগইন পাসওয়ার্ড বিতর্কে। তখন সাংসদ পদ খোয়াতে হয়েছিল মহুয়াকে। তার আগে মহুয়া মৈত্র ডেনমার্কের ব্যবসায়ী লার্স ব্ররসনকে বিয়ে করেছিলেন। পরে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
