কলকাতা- দেশের বৃহত্তম এয়ারলাইন ইন্ডিগোর পরিষেবায় হঠাৎ টানাপড়েন শুরু হওয়ায় গত ৭ দিনে দেশজুড়ে এক অভূতপূর্ব অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
গত সপ্তাহের মঙ্গলবার থেকে এখনও পর্যন্ত দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু-সহ বিভিন্ন বিমানবন্দরে ৪,৫০০-রও বেশি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় হাজার হাজার যাত্রী আটকে পড়েন। যা ২০ বছরের ইতিহাসে নজিরবিহীন রেকর্ড গড়েছে ইন্ডিগো।
জানা গিয়েছে, কেন্দ্রের পদক্ষেপের পরেও সোমবার সকালেই দেশজুড়ে অন্তত সাড়ে তিনশো বিমান বাতিল করে দিয়েছে উড়ান সংস্থাটি। ফলে দীর্ঘ সারি, লাগেজ না পাওয়া, খাবার–জলের অভাব, সব মিলিয়ে বিমানবন্দরগুলি কার্যত বিশৃঙ্খল।
২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে পাইলট এবং বিমানকর্মীদের কাজের সময় এবং বিধি নির্দিষ্ট করে দিয়েছিল দেশের উড়ান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ। ‘ফ্লাইট ডিউটি টাইম লিমিটেশনস’ নামের ওই বিধি ১ নভেম্বর থেকে চালু হয়েছে। আর তাতেই বিপাকে পড়েছে ইন্ডিগো। এই নিয়মবিধি মেনে উড়ান পরিষেবা স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হচ্ছিল না তাদের। অন্য বিমানসংস্থাগুলির তুলনায় কিছুটা সস্তায় যাত্রীদের উড়ান পরিষেবা দিয়ে থাকে ইন্ডিগো। তাদের অনেক বিমানই রাতে অবতরণ করে। তাই নয়া বিধিতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে এই বিমানসংস্থাই। নয়া বিধি মেনে পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে যত সংখ্যক কর্মী এবং পাইলট প্রয়োজন, বর্তমানে তা ই
