দিল্লি বিস্ফোরণের মাস্টারমাইন্ড উমরের বাড়ি নিশ্চিহ্ন, নিরাপত্তীকর্মীদের হাতে আটক আরও ৫

কলকাতা-  দিল্লি বিস্ফোরণের চারদিন পর প্রধান অভিযুক্ত চিকিৎসক উমর উন নবি’র পুলওয়ামার বাড়ি বিস্ফোরণে গুঁড়িয়ে দিল নিরাপত্তাবাহিনী।

কৈল গ্রামে ওই বাড়িটি শুক্রবার ভোরে বিস্ফোরক দিয়ে ধ্বংস করা হয়। বিস্ফোরণে জড়িত সন্দেহে বৃহস্পতিবার যে ৬ জনকে আটক করেছিল জম্মু ও কাশ্মীরের পুলিশ, তাঁদের মধ্যে তিনজন উমরের নিকটাত্মীয়।

শুক্রবার আরও পাঁচজনকে আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কানপুরের কার্ডিওলজিস্ট মোহাম্মদ আরিফ মির এবং হাপুরের গাইনিকলজিস্ট ফারুখ। দুজনেই কাশ্মীরি।

লালকেল্লার কাছে মেট্রো স্টেশন চত্বরে বিস্ফোরণের তদন্ত যত এগোচ্ছে, তত স্পষ্ট হচ্ছে, হামলাটি বিচ্ছিন্ন কোনও ঘটনা নয়, বরং কাশ্মীর সহ একাধিক রাজ্যে ছড়িয়ে থাকা সংগঠিত জঙ্গি নেটওয়ার্কের পরিকল্পিত অপারেশন। শুক্রবার ধৃতদের মধ্যে আরেক চিকিৎসক শাহিনা সইদের ঘনিষ্ঠ বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। যে শাহিনাকে জইশের মহিলা শাখার ভারতের প্রধান বলে মনে করা হচ্ছে।

ঘটনার পর পাঁচদিন কেটে গেলেও দিল্লি এবং সংলগ্ন এলাকায় এখনও আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। শহরজুড়ে চলছে তল্লাশি, চেকপোস্টগুলিতে কড়া নজরদারি। নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে সংসদ ভবন, ইন্ডিয়া গেট, সুপ্রিম কোর্ট, রেড ফোর্ট সহ দিল্লির সব গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়।

উমরের বিস্ফোরণের আগের দিনের প্রতিটি পদক্ষেপ পর্যালোচনা করতে গিয়ে দিল্লি পুলিশের হাতে ৫০টিরও বেশি সিসিটিভি ফুটেজ এসেছে, যাতে তাঁর শেষ রাতের রোডম্যাপ স্পষ্ট। ফরিদাবাদ থেকে রওনা হয়ে নুহ জেলার ফিরোজপুর ঝিরকায় গাড়ি থামিয়ে রাস্তার ধারের দোকান থেকে খাবার কেনা, দীর্ঘসময় গাড়িতে অপেক্ষা এবং অবশেষে ১০ নভেম্বর সকালে বাদরপুর সীমান্ত দিয়ে দিল্লিতে ঢোকার ছবি ওতে ধরা পড়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *