কলকাতা- হুমায়ুন কবীরের বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে জনজোয়ার। জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে গিয়েছে।
পরিস্থিতি এমনই হল, যে পরিমাণ বিরিয়ানির আয়োজন করা হয়েছে, তা কম পড়ে গেল।
সরকারিভাবে কিছু জানানো না হলেও একটি মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে, লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হয়েছিল বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের অনুষ্ঠানে।
অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সদ্য ছেঁটে ফেলা ভরতপুরের বিধায়ক। তিনি দাবি করেছেন, রাজ্য সরকারের তরফে বাবরি মসজিদ তৈরির ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু তিনি মাথা নোয়াবেন না। প্রয়োজনে শহিদ হয়ে যাবেন।
মূল অনুষ্ঠান শুরুর আগেই ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে একের পর এক গাড়ি দাঁড়িয়ে পড়ে। যে লেন ধরে কলকাতাগামী গাড়িগুলি আসে, সেখানে প্রবল যানজট তৈরি হয়।
এদিকে আজ সংহতি দিবসে ‘মিলেমিশে থাকার’ বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘একতাই শক্তি। আমি সকলকে সংহতি দিবস বা সম্প্রীতি দিবস উপলক্ষে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। বাংলার মাটি একতার মাটি। এই মাটি রবীন্দ্রনাথের মাটি, নজরুলের মাটি, রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দের মাটি – এই মাটি কখনও মাথা নত করেনি বিভেদের কাছে, আগামিদিনেও করবে না।’
অন্যদিকে হুমায়ুনকে নিশানা করে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, ‘বাংলায় কোনও ব্যক্তি কিংবা ব্যক্তিগণ তাঁদের জায়গায় মন্দির, মসজিদ, গির্জা কিংবা তাঁদের ধর্মের আরাধনার জায়গা করতেই পারেন। তার জন্য তাঁকে বহিষ্কার বা তাঁর প্রতি কোনও শাস্তিমূলক কোনও ব্যবস্থা এগুলো হতে পারে না। এগুলো কখনও তৃণমূল কংগ্রেস করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না।’
