কলকাতা- বৃষ্টিতে পাহাড়ি মূর্তি নদীতে কেউ যাতে না নামে অথবা সাঁতার না কাটে তার জন্য সচেতনতামূলক বোর্ড লাগাল জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন। বুধবার সন্ধ্যায় প্রশাসনের তরফে অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র মূর্তি নদীর ধারে ওই বোর্ড লাগানো হয়।
গত বৃহস্পতিবার ডায়না নদীতে স্নান করতে গিয়ে জলে তলিয়ে মৃত্যু হয় এক স্কুল পড়ুয়া ও এক কলেজ পড়ুয়ার। তার পর গত সোমবার নেওড়া নদীতে স্নান করতে গিয়ে জলে ডুবে অসুস্থ হয়ে পড়ে এক যুবক। তাঁকে মাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেই ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় সেই জন্যই জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগ বলে জানা গিয়েছে।
এর আগে মূর্তি নদীতে স্নান বন্ধের জন্য বনদপ্তর, পুলিশ ও বন সুরক্ষা কমিটির সদস্যরা যৌথভাবে অভিযানও চালায়। যারা নদীতে নেমে স্নান করছিল তাদেরকেও নদী থেকে উঠিয়ে দেওয়া হয়। তারপরেও অনেকেই একপ্রকার ঝুঁকি নিয়েই মূর্তি নদীতে নেমে স্নান করছে বলে জানা যাচ্ছে।
পাহাড়ে বৃষ্টি হলেই মূর্তি নদীরও জল বেড়ে যায়। স্বাভাবিকভাবেই মূর্তি নদীতে স্নান করার সময় যেকোনও সময় বড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটারও আশঙ্কা রয়েছে। ৫-৬ বছর আগেও মূর্তি নদীতে স্নান করার সময় তলিয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। ১২ দিন পর তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। মূর্তিতে রোজ বহু পর্যটক সহ স্থানীয় জনগণ ঘুরতে আসেন। নদীতে নেমে পর্যটক সহ স্থানীয় জনগণ নিয়মিত স্নানও করছেন। কিন্তু এবার থেকে আর যাতে কেউ মূর্তি নদীতে না নামে অথবা সাঁতার না কাটে তার জন্যই জেলা প্রশাসনের তরফে ওই সচেতনতামূলক বোর্ড লাগানো হয়েছে।
