কলকাতা- অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীকে নিয়ে কোনও বিতর্কিত মন্তব্য নয়, কুণাল ঘোষকে কড়া নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। আগামী ৩ মাস মিঠুন চক্রবর্তী এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে কোনওরকম মন্তব্য করতে পারবেন না কুণাল, এমনই নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
চিটফান্ড কেলেঙ্কারি থেকে দলবদল, এমনকি অভিনেতার ছেলে ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত বলে সংবাদমাধ্যমে প্রচার করেছেন কুণাল ঘোষ। এই অভিযোগে কুণালকে আইনি নোটিশ পাঠান মিঠুন।
জবাবে সন্তুষ্ট না হওয়ায় ক্ষতিপূরণ দাবি করে তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। মামলা করার পর মিঠুন জানিয়েছিলেন,’তৃণমূল মুখপাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর সম্মানহানি করেছেন। সংবাদমাধ্যমে তাঁর এবং তাঁর পরিবারের নামে অসত্য, কুরুচিকর মন্তব্য করেছেন। যা যা বলেছেন, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এতে সমাজে তাঁকে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে।
পালটা মানহানির মামলার খবর শুনে কুণাল বলেছিলেন, ‘যাঁর মান থাকে, তিনি কি এত বার দলবদল করেন! কোর্টে দেখা হবে।’ এদিন সেই মামলারই শুনানি ছিল।
এদিন কলকাতা হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয় বিচারপতি অরিন্দম মুখোপাধ্যায়ের বেঞ্চে। এজলাসে দাঁড়িয়ে মিঠুন চক্রবর্তীর আইনজীবী বলেন, ‘আমার মক্কেল রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ। পদ্মভূষণ এবং দাদাসাহেব ফালকের মতো সম্মান লাভ করেছেন। তাঁর নামেই কুৎসা করা হচ্ছে। তৃণমূল নেতা প্রকাশ্যে মিঠুনকে অপমান করছেন। তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করছেন। তাঁকে বার বার বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। এমনকি, নতুন চলচ্চিত্র, বিজ্ঞাপনের কাজেও ব্যাঘাত ঘটছে।’
এর পর বিচারপতি নির্দেশ দেন, আগামী ৩ মাস কুণাল ঘোষ মিঠুন চক্রবর্তী এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে কোনও কুরুচিকর মন্তব্য করতে পারবেন না। এছাড়াও এই মামলায় কুণাল ঘোষকে নোটিশ দিতে হবে।’ আগামী ১৫ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি।
