কলকাতা- গত কয়েকদিন ধরে সোশ্য়াল মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রে সায়ক চক্রবর্তী!
গত শনিবার পার্ক স্ট্রিট এলাকার নামী রেস্তোরাঁয় বন্ধু সুকান্ত কুণ্ডু ও অনন্যা গুহর সঙ্গে ছিলেন সায়ক। সেখানেই ঘটে যায় ভয়ঙ্কর কাণ্ড।
মটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন অভিনেতা, বদলে আসে বিফ। না জেনে সেটি খেয়েও নেন তাঁরা। এরপরই হইচই কাণ্ড। ধর্মভ্রষ্ট করার উদ্দেশ্য় নিয়ে ‘ব্রাহ্মণ’ সায়ককে গো-মাতাকে খাইয়েছেন ওই বেয়ারা। এমন অভিযোগ আনেন অভিনেতা। মামলা গড়ায় পুলিশ পর্যন্ত।
ওই দিন রাতেই গ্রেফতার হয়েছিলেন পাবের ওই ওয়েটার। পরদিন তাঁকে কোর্টে তোলা হলে জামিন মেলেনি, তিন দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে কাটানোর পর মঙ্গলবার জামিন পেলেন শেখ নাসিমুদ্দিন।
এদিন ব্যাঙ্কশাল কোর্ট জামিন দেয় ওই বেয়ারাকে। কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার হল, অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তী ফেসবুক পোস্টে রবিবার জানিয়েছিলেন,তিনি ওই ওয়েটারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে নেবেন। কিন্তু তেমনটা অভিনেতা করেননি, জানিয়েছেন বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকি।
ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় (কোনও শ্রেণি মানুষের ধর্ম বা ধর্মীয় বিশ্বাসকে অপমান করে তাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে ইচ্ছাকৃত আঘাত হানা) মামলা রুজু হয়েছিল ওই পানশালার বেয়ারার বিরুদ্ধে। অভিযোগ প্রমাণে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রেখেছে এই ধারায়। .পালটা সায়কের বিরুদ্ধেও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় উস্কানির অভিযোগ করা হয়। সেই মামলা এখনও বহাল রয়েছে।
