কলকাতা- তিনিই ইন্ডাস্ট্রি। সিনেমার জগতে চার দশকেরও বেশি সময় পার করে ফেলেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সম্প্রতি ভবানী পাঠক চরিত্রকে পর্দায় জীবন্ত করেছেন। আবার নীরজ পান্ডের খাকি: বেঙ্গল চ্যাপ্টারে নিজেকে প্রমাণ করেছেন।
উত্তম-সুচিত্রার পর বাংলা ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে হিট জুটি বলা হয়, প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণাকে। মাঝে দেড় দশক একসঙ্গে ছবি করেননি তাঁরা।
১৪ বছর পর ‘প্রাক্তন’-এর হাত ধরে প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণার কাঙ্খিত পুনর্মিলন দেখেছিল দর্শক। অসম্ভবকে সম্ভব করেছিলেন পরিচালক জুটি শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং নন্দিতা রায়।
এবার প্রসেনজিৎ-দেবশ্রীকে মেলাবেন তাঁরা! এমনটা নিজের মুখে জানিয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, ভবিষ্যতে প্রাক্তন স্ত্রী দেবশ্রীর সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী কিনা?
উত্তরে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় জানান, তাঁদের একসঙ্গে ছবি করার কথা ছিল। দেবশ্রীর সঙ্গে ডিভোর্স প্রসঙ্গে অভিনেতা বলেন, ‘ওই সময় আমার বয়স ছিল ২০-২১। আমার হৃদয় ভেঙেছিল তা নয়, আসলে আমি বড্ড লজ্জিত ছিলাম। কী করে মুখ দেখাব, লোকে কী বলবে। এখন আমরা বন্ধু, আমি ওর সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত’। এরপর টলি সুপারস্টার যোগ করেন, ‘খুব শীঘ্রই কিছু ঘটতে চলেছে। আমাদের অতি পরিচিত দুই পরিচালক পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায় ‘প্রাক্তন’ ২ করতে চান। আমাকে দেবশ্রী রায় এবং ঋতুকে নিয়ে।’
দেবশ্রীর সঙ্গে বিয়েটা হঠকারি সিদ্ধান্ত ছিল আগেও জানিয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ছেলেমানুষি করেই দুজনে বিয়েটা করে ফেলেছিলেন। টেকেনি সেই বিয়ে। ছোটবেলার বন্ধু চুমকির সঙ্গে প্রসেনজিতের সাধের সংসার ভেঙেছিল মাত্র তিন বছরে। ১৯৯৫ সালে ডিভোর্স হয় দুজনের। শেষবার উনিশে এপ্রিল ছবিতে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল তাঁদের।
প্রথম বিয়ে ভাঙার পর অপর্ণা গুহঠাকুরতাকে বিয়ে করেছিলেন প্রসেনজিৎ, তাঁদের মেয়ে প্রেরণা। সেই সম্পর্কেও প্রসেনজিৎ ইতি টানেন ২০০২ সালে। এখন অর্পিতাকে নিয়ে তাঁর সুখী গৃহকোণ। তাঁদের একমাত্র পুত্র তৃষাণজিৎ।
