কলকাতা- ৪ নভেম্বর থেকে বাংলায় শুরু হচ্ছে এসআইআর বা ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ। শনিবার নজরুল মঞ্চে ছিল বিএলও-দের ট্রেনিং। ট্রেনিং চলাকালীন বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন বিএলও-রা।
তাঁদের দাবি, ‘একদিকে স্কুলের কাজ সেরে SIR-এর কাজে আসতে হচ্ছে। তবুও স্কুলের খাতায় আমরা গরহাজির! কেন? পাশাপাশি আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে বিন্দুমাত্র চিন্তিত নয় নির্বাচন কমিশন। আমাদের কিছু হলে তার দায় কে নেবে?’ এই দুই অভিযোগকে সামনে রেখে এদিন দুপুর নাগাদ নজরুল মঞ্চ কার্যত রনক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল।
আজ থেকে বাংলায় শুরু হয়েছে বুথ স্তরের আধিকারিক বা বিএলও-দের প্রশিক্ষণ। কীভাবে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ করতে হবে এবং সেই তথ্য কমিশনের উল্লেখিত অ্যাপে আপলোড করতে হবে তাই শেখানো হচ্ছে। এদিন সকাল ১০ টা থেকে ট্রেনিং শুরু হয়। এই ট্রেনিং চলাকালীন তুমুল বিক্ষোভ দেখান বিএলও-রা।
তাঁরা বলেন, ‘আমাদের বলে দিয়েছে যদি অন ডিউটি কাগজ না দেখাই তাহলে যতই বিএলও হই বা যাই কাজ করি না কেন আমাদের অনুপস্থিত করে দেবে। আমাদের অনেকের সিএল শেষ, তাঁরা কি মেডিকেল লিভ নিয়ে ভোটের কাজ করবেন? স্কুল অথারিটি আমাদের কোনও দায়িত্ব নিচ্ছে না। আমরা যদি কোনও রকম অর্ডার কপি না দেখাতে পারি কোনও স্কুল অথারিটি আমায় অন ডিউটি দেবে না। আমাদের যাঁদের দূরের স্কুল তাঁরা আট ঘণ্টা ডিউটি করে এসে কখন এই সব কাজ করবে? আবার যাদের সকালে স্কুল, তাঁদের তো স্কুল করে ভোটের কাজ করতে হবে। মানে ২৪ ঘণ্টা ধরে আমরা এই কাজই করবো?’
পাশাপাশি তাঁরা এও দাবি করেন, ‘অনেক বিডিও-কে আবার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। কেউ কেউ তো প্রাণনাশের হুমকিও পেয়েছেন। আমাদের যদি কিছু হয় তার দায় নির্বাচন কমিশন নেবে তো?’
