কলম্বো- ‘পকেট ডিনামাইট’-এর বিস্ফোরণ! ঈশান কিষাণের তাণ্ডবে উড়ে গেল পাকিস্তান।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘এ’-র ম্যাচে ভারত শুধু যে পাকিস্তানকে ৬১ রানে উড়িয়ে দিল, তা নয়। সলমন আলি আঘাদের কাটা ঘায়ে নুনের ছিটেও দিয়ে গেলেন সূর্যকুমার যাদবরা।
এমন হাই-প্রোফাইল ম্যাচে দলে প্রথমসারির বোলাররা থাকা সত্ত্বেও তাঁদের কোটাই শেষ করলেন না সূর্য! এত আগে থেকে ম্যাচের ফয়সালা হয়ে গিয়েছিল যে রিঙ্কু সিং, তিলক বর্মাদের মতো পার্টটাইম বোলারদের দিয়ে বল করালেন ভারতীয় অধিনায়ক।
একটা সময় মনে হচ্ছিল যে সেই যেন ২০২৩ সালের একদিনের বিশ্বকাপের ভারত-নেদারল্যান্ডস ম্যাচ হচ্ছে। যে ম্যাচে বিরাট কোহলি থেকে রোহিত শর্মারা বোলিং করেছিলেন।
এদিন টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে সাত উইকেটে ১৭৫ রান তোলে ভারত। ঈশান ৪০ বলে ৭৭ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলেন। মারেন ১০টি চার এবং তিনটি ছক্কা। স্ট্রাইক রেট ছিল ১৯২.৫।
তিনি আউট হওয়ার পরে পাকিস্তান ভারতের ছন্দ কিছুটা ভেঙে দেয়। শিবম দুবে, রিঙ্কু সিংয়ের ক্যামিওয়ের সুবাদে কঠিন পিচে ১৭৫ রান তুলে ফেলে টিম ইন্ডিয়া।
ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই অবস্থা খারাপ হয় পাকিস্তানের। প্রথম ওভারে মেডেন উইকেট নেন হার্দিক। দ্বিতীয় ওভারে দু’উইকেট নেন বুমরাহ।
দু’ওভারে পাকিস্তানের স্কোর দাঁড়ায় ১৩ রানে তিন উইকেট। ঈশানের মতো আক্রমণাত্মক খেলতে গিয়ে পাকিস্তানি ব্যাটাররা আউট হয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরে যান।
তারপর যেন স্রেফ খেলতে হয় বলে খেলা হচ্ছিল। শেষপর্যন্ত ১৮ ওভারেই ১১৪ রানে অল-আউট হয়ে যায় পাকিস্তান। ৬১ রানে জিতে যায় ভারত। সেইসঙ্গে নিশ্চিত করে ফেলে সুপার এইটের টিকিট। ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হয়েছেন ঈশান। আর ভারতের হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন হার্দিক (তিন ওভারে ১৬ রান), বুমরাহ (দু’ওভারে ১৭ রান), অক্ষর প্যাটেল (চার ওভারে ২৯ রান) এবং বরুণ (৩ ওভারে ১৭ রান)। একটি করে উইকেট পান তিলক এবং কুলদীপ।
