কলকাতা- এসআইআর শুনানির সময়সীমা ১ সপ্তাহ বাড়ানোর নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।
এদিন রাজ্যের দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে এই নির্দেশ দেয় বিচারপতি সূর্য কান্ত ও জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ। একই সঙ্গে আরও একগুচ্ছ নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
সোমবার সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, রাজ্য নিশ্চিত করবে ৮,৫০৫ জনই গ্রুপ-বি অফিসার। মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট ডিইও বা ইআরও-র কাছে তাঁদের রিপোর্ট করতে হবে। এবং, দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে। তবে প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশন এই কর্মীদের পরিবর্তন করতে পারবে।
মাইক্রো অবজার্ভাররা কোনও ভাবেই নাম বাদ দেওয়া সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। এই ক্ষেত্রের ইআরওদের নির্দেশই চূড়ান্ত।
আজ সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের পর নিশ্চিতভাবেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন বাড়তে চলেছে। এর ফলে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের যে পূর্বনির্ধারিত দিন ছিল, তা নিশ্চিতভাবেই পিছিয়ে যাচ্ছে। তবে এই আইনি জটের চেয়েও সোমবার রাজ্যের ডিজিপি পীযূষ পাণ্ডেকে শোকজ করে সর্বোচ্চ আদালত।
শুনানি চলাকালীন নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীরা বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন। তাঁদের দাবি, রাজ্যে কমিশনের প্রতিনিধিদের নূন্যতম নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে না। স্থানীয় পুলিশ কোনও সহযোগিতা করছে না, উলটে বহু জায়গায় ‘ফর্ম ৭’ জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
কমিশন নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও সংশ্লিষ্টের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ ওঠে। শুনানি কেন্দ্রে হামলার ঘটনা শুনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। তিনি সাফ বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব রাজ্য সরকার ও ডিজিপি-র।’
কেন নির্বাচন আধিকারিকরা আক্রান্ত হচ্ছেন, সেই প্রশ্ন তুলে রাজ্যের পুলিশ প্রধান পীযূষ পাণ্ডেকে শোকজ করে হলফনামা দিতে বলা হয়েছে।
