কলকাতা- দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশকে বুড়ো আঙুল! Whatsapp-এর মাধ্যমে নির্দেশিকা জারি করছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন!
এমনই এক বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের অভিযোগের সপক্ষে একাধিক স্ক্রিনশট X হ্যান্ডলে পোস্ট করে কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, নির্বাচন কমিশনের বিশেষ রোল অবজারভর সি. মুরুগন Whatsapp গ্রুপ ব্যবহার করে মাইক্রো অবজারভারদের বেআইনি নির্দেশ দিচ্ছেন।
তাঁর আরও অভিযোগ, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে। অভিষেক প্রশ্ন তুলেছেন, “নির্বাচন কমিশন কি মনে করে যে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ প্রকাশ্যে অমান্য করা যেতে পারে?”
অভিষেকের পোস্ট করা স্ক্রিনশটগুলিতে দেখা যাচ্ছে, ‘ইআরএমও সাউথ ২৪ পরগনা’ নামক একটি গ্রুপে মাইক্রো অবজারভারদের জন্ম শংসাপত্রের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নির্দেশ দিচ্ছেন জনৈক ‘অবজারভার চিমা মুরুগান’।
তৃণমূল নেতার দাবি, সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে মাইক্রো অবজারভারদের কাজ শুধুমাত্র তথ্য সংগ্রহ ও পর্যবেক্ষণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। তাঁদের কোনও প্রশাসনিক বা নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নেই। অথচ কমিশন তাঁদের দিয়েই ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ানোর চেষ্টা করছে।
অভিষেকের আরও দাবি, জেলাভিত্তিক রোল অবজারভারদের নিয়োগ করা হলেও তাঁদের লগইন শংসাপত্র ব্যবহার করা হচ্ছে কলকাতার একটি কেন্দ্রীয় স্থান থেকে।
তাঁর অভিযোগ, নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে নিশানা করে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিতেই এই কারসাজি চলছে।অভিষেক লিখেছেন, “নির্বাচন কমিশনের বৈধতা আসে জনবিশ্বাস থেকে, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা থেকে নয়।” তিনি আরও হুঁশিয়ারি দেন, ইশারায় চলা এই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
