কলকাতা- জম্মু ও কাশ্মীর থেকে শুরু করে রাজধানী দিল্লির উপকণ্ঠ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিল এক ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসচক্র। ফারিদাবাদ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৩৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট, একাধিক আধুনিক রাইফেল ও গুলি। সঙ্গে টাইমার ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম।
জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং হরিয়ানা পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে আন্তঃসীমান্ত যোগসূত্রের ইঙ্গিত। আর এই বিশাল জঙ্গি নেটওয়ার্কের যোগ রয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ ও আনসার গজওয়াত-উল-হিন্দের সঙ্গে।
পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার ফরিদাবাদের আল ফালাহ হাসপাতালের চিকিৎসক মুজাম্মিল শাকিলকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর ভাড়া বাড়ি থেকেই উদ্ধার হয় ২,৯০০ কেজি আইইডি তৈরির উপকরণ, যার মধ্যে ৩৬০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট, অ্যাসল্ট রাইফেল, তিনটি ম্যাগাজিন, ৮৩ রাউন্ড গুলি, একটি পিস্তল, ২০টি টাইমার, ২৪টি রিমোট কন্ট্রোল, ৫ কেজি ধাতু, ওয়াকিটকি সেট, বৈদ্যুতিক তার, ব্যাটারি ও অন্যান্য উপকরণ ছিল।
আরেক কাশ্মীরি চিকিৎসক আদিল আহমেদ রাঠারের লকার থেকে উদ্ধার হয় একে-৪৭ রাইফেল ও গুলি। পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলি গত কয়েকদিন ধরে জম্মু ও কাশ্মীরের (শ্রীনগর, অনন্তনাগ, গান্ডারবাল এবং শোপিয়ান) পাশাপাশি ফরিদাবাদ জুড়ে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে এক ‘হোয়াইট-কলার টেরর ইকোসিস্টেম’-এর হদিশ পেয়েছে। যেখানে পেশাদার চিকিৎসক, ছাত্র ও শিক্ষিত ব্যক্তিরা পাকিস্তান এবং অন্যান্য বিদেশি হ্যান্ডলারের সঙ্গে যোগ রেখে চক্র চালাতেন। অর্থ সংগ্রহ, অস্ত্র সরবরাহ ও নতুন সদস্য সংগ্রহ, সবই চলত গোপন অনলাইন চ্যানেলের মাধ্যমে।
