কলকাতা- দেহরাদুনে বর্ণবিদ্বেষী হামলার শিকার ত্রিপুরার যুবক। প্রাণ হারালেন সেই যুবক। দেহরাদুনে বর্ণবিদ্বেষী টিপ্পনির প্রতিবাদ করেন ওই যুবক। তার পর তাঁকে মারধর করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।
জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম অ্যাঞ্জেল চাকমা, বয়স ২৪ বছর। তিনি এমবিএ-র ছাত্র ছিলেন। অ্যাঞ্জেল দেহরাদুনে জিজ্ঞাসা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেন।
১৪ দিন ধরে জীবন-মৃত্যুর লড়াই করে শেষ পর্যন্ত হার মানেন তিনি। অ্যাঞ্জেল চাকমার বাবা বিএসএফ কনস্টেবল।
৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় দেহরাদুনের সেলাকুই এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছিল। এই বর্ণবিদ্বেষী হামলার প্রতিবাদে উত্তর-পূর্বাঞ্চল জুড়ে ক্ষোভের ঢেউ উঠেছে।
ঘটনার দিন, অ্যাঞ্জেল তাঁর ছোট ভাই মাইকেল দোজের সাথে স্থানীয় বাজারে কেনাকাটা করতে গিয়েছিলেন। এর পর কয়েকজন যুবক তাঁদের দুজনকে বর্ণবিদ্বেষী গালিগালাজ করে। অ্যাঞ্জেলদের ‘চিনা’ বলে অপমান করে। অ্যাঞ্জেল শান্তভাবে উত্তর দেন, ‘আমরা চিনা নই, আমরা ভারতীয়। আমাদের ভারতীয়ত্ব প্রমাণ করার জন্য কোনও শংসাপত্র দেখাতে হবে?’
কয়েক মিনিটের মধ্যে সেই তর্ক হিংসার আকার নেয়। অভিযুক্তরা তাঁকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। অ্যাঞ্জেলের ঘাড় ও মেরুদণ্ডে গুরুতর আঘাত লাগে। ১৪ দিন ধরে ভেন্টিলেটরে ছিলেন। কিন্তু এর মধ্যে তাঁর আর জ্ঞান ফেরেনি।
পুলিশ এই মামলায় মোট ৬ আসামিকে চিহ্নিত করেছে। এদের মধ্যে দুই নাবালকসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মূল অভিযুক্ত যজ্ঞ অবস্থি এখনও পলাতক।
