কলকাতা – নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর শরীরের রক্ত, লালা, বমির সংস্পর্শে এসেছেন বা ১২ ঘণ্টার বেশি সময় ছিলেন রোগীর কাছাকাছি। তাদের ক্ষেত্রে ২১ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক করতে বলা হল। স্বাস্থ্যকর্মীরা তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেবেন দিনে ২ বার।
যারা রোগীর পোশাক বা ব্যবহৃত জিনিস স্পর্শ করেছেন। তাদের ২১ দিন পর্যবেক্ষণে থাকতে হবে ও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হবে ফোনে।
ওষুধের ডোজও বলে দেওয়া হল। উচ্চ ঝুঁকির ব্যক্তিদের ও সুরক্ষা ছাড়া রোগীর সেবা করা ব্যক্তিদের Ribaviri অথবা Favipiravir ২-বার ১৪ দিন দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পর্যাপ্ত সুরক্ষা PPE নিয়ে যারা কাজ করছেন, তাদের কোনো বিশেষ ব্যবস্থার প্রয়োজন নেই।
যাদের শরীরে উপসর্গ দেখা যাবে ও RT-PCR টেস্ট পজিটিভ আসবে, তাদের দ্রুত হাসপাতালে আইসোলেশনে ভর্তি করতে হবে।
চিকিৎসার জন্য Remdesivir ইনজেকশন এবং Ribavirin বা Favipiravir ট্যাবলেটের সংমিশ্রণ ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। বিশেষ ক্ষেত্রে ‘মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি’ ব্যবহারের সুযোগও থাকছে বিশেষজ্ঞ কমিটির অনুমতিতে।
রোগী শারীরিকভাবে স্থিতিশীল হলেই ছুটি মিলবে হাসপাতাল থেকে। গলা ও প্রস্রাবের নমুনা এবং রক্ত—তিনটি পরীক্ষারই রিপোর্ট ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দু’বার আসতে হবে নেগেটিভ। ছুটি পাওয়ার পর রোগীকে পরবর্তী তিনমাস পর্যন্ত থাকতে হবে নিয়মিত ক্লিনিক্যাল ফলো-আপে।
