কলকাতা- বাংলার প্রাক্তন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে বিদ্রোহের আগুন এবার আরও তীব্র আকার ধারণ করল। দিল্লিতে ফের এক বৈঠকে মিলিত হলেন তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা।
সোমবারের এই বৈঠকের সবচেয়ে বড় চমক ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতি। বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়ের দিল্লির সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এই বৈঠককে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতিতে জোর শোরগোল শুরু হয়েছে।
সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই লোকসভার ১৯ জন বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ একজোট হয়ে স্পিকারের কাছে নিজেদের পৃথক গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এই মর্মে স্পিকারকে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠিও পাঠানো হয়েছে।
দলত্যাগ বিরোধী আইনের হাত থেকে বাঁচতে এবং নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করতেই এই ১৯ জন সাংসদ এককাট্টা হয়েছেন বলে জানা গেছে। লোকসভায় এই বড়সড় ভাঙনের পর দলের রাশ কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে।
লোকসভার পর এবার রাজ্যসভাতেও তৃণমূলের সংসদীয় দল ভাঙার ব্লু-প্রিন্ট তৈরি হচ্ছে। শতাব্দীর বাসভবনে এই প্রসঙ্গেও আলোচনা হয়।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এই বৈঠকে সশরীরে যোগ দেওয়া অত্যন্ত ইঙ্গিতপূর্ণ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূলের এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর পেছনে যে শুভেন্দু অধিকারীর পূর্ণ মদত ও নেতৃত্ব রয়েছে, তা এখন আর গোপন নেই।
